মির্জাপুরে চোরাই পথে আসা শাড়ি ও গম উদ্ধারের ঘটনায় আসামী ৪ দিনের রিমান্ডে

মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল ॥
ভারত থেকে চোরাই পথে আসা দুই ক্যাভার্ট ভ্যান ভর্তি প্রায় ৭ কোটি টাকা মুল্যের ২০ হাজার পিচ ভারতীয় শাড়ি, লেহেঙ্গা এবং গম উদ্ধারের ঘটনায় আটক ৪ চোরা কারবারিকে (আসামীকে) চার দিনের রিমান্ডে আনা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে তাদের টাঙ্গাইলের সিনিয়র জ্যুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে হাজির করলে বিচারক আজ রবিবার শোনানীর দিন ধার্য করেছিলেন। আজ রবিবার শোনানী শেষে চার আসামীকে চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন বলে ওসি (তদন্ত) মো. গিয়াস উদ্দিন জানিয়েছেন।
মির্জাপুর থানার এসআই মো. রুবেল হোসেন জানান, গত মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারেন, ভারতের সীমান্তবর্তী সাতক্ষিরা এলাকা থেকে দুইটি ক্যাভার্ড ভ্যান ভর্তি ভারত থেকে চোরাই পথে আসা গমের বস্তায়র আড়ালে বিপুল পরিমান শাড়ি কাপড়ের চালান ঢাকায় আসছে। বঙ্গবন্ধু সেতুর উপর দিয়ে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক হয়ে আসা ক্যাভার্ড ভ্যান দুটি মির্জাপুর থানার পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা দেওহাটা গরুর হাট এলাকায় চকি (তল্লাসি) বসিয়ে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। আটক গম ও শাড়ীর আনুমানিক বাজার মুল্য প্রায় ৭ কোটি টাকা । ঘটনার সঙ্গে জড়িত চার জনকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন নাছির, নাজমুল, মশিউর ও আখতার। তাদের সবার বাড়ি সাতক্ষিরা জেলায়। তবে মুল হোতাদের আটকের চেষ্টা চলছে। গতকাল বৃহস্পতিবার মির্জাপুর থানার এস আই মো. রুবেল হোসেন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।
মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সায়েদুর রহমান বলেন, টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মি. সঞ্জিত কুমার রায় ও মির্জাপুর সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মি. দীপংকর ঘোষের দিক নির্দেশনায় বিপুল পরিমান গম ও ভারতীয় শাড়ী কাপড়ের চালান উদ্ধার করা হয়। যার বাজার মুল্য প্রায় ৭ কোটি টাকা । ঘটনার সঙ্গে জড়িত চার জনকে আটক করা হয়। মামলার পর ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে টাঙ্গাইলের সিনিয়র জ্যুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট অদালতে আবেদন করা হয়েছিল। আজ রবিবার আদালতের বিচারক শোনানী শেষে চার আসামীকে জিঞ্জাসাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।