মির্জাপুরে মিল্টনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ নিঃশর্ত মুক্তির দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল ॥
টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ১৩ নম্বর বাঁশতৈল ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা মো. আতিকুর রহমান মিল্টনের (৪৮) বিরুদ্ধে মিথ্যা, সাজানো ও ষড়যন্ত্র মুলক মামলা প্রত্যাহারসহ নিঃশর্ত মুক্তির দাবীতে সংবাদ সম্মেলন হয়েছে। আজ শনিবার বেলা ১১ টায় মির্জাপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির মিলনায়তনে তার পরিবার এ সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, তার বড় ভাই ও বাঁশতৈল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. আজাহারুল ইসলাম। এ সময় ইউপি চেয়ারম্যান মিল্টনের স্ত্রী সিফাত শুকলা, তার শিশু কন্যা অহনা, ভাই আশরাফুল আলম আরজু, বোন লিপি ইমরান, বোন জামাই শওকত ইমরান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর এনায়েত হোসেন মন্টু, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবু রায়হান সিদ্দিকী, সৈয়দ ওয়াহিদ ইকবাল, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক মো. মামীম, আল মামুন, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান মনির ও ভাতগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক গোলাম রব্বানী যুবরাজসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিগন উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর এনায়েত হোসেন মন্টু, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ ওয়াহিদ ইকবাল এবং উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক মো. শামীম আল মামুন তাদের বক্তব্যে বলেন, বাঁশতৈল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আতিকুর রহমান মিল্টন একজন সাদা মনের মানুষ। এলাকায় তার ও তার পরিবারের যতেষ্ট সুনাম ও খ্যাতি রয়েছে। তিনি একজন সফল জনপ্রতিনিধি। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি দলকে যেমন সু-সংগঠিত করছেন, তেমনি এলাকায় উন্নয়ন মুলক কাজ করে যাচ্ছেন। তার ভাল কাজে ইষান্মিত হয়ে এলাকার একটি মহল মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে তাকে সাজানো মামলায় ফাঁসিয়েছে যার কোন ভিত্তি নেই। তিনি নিয়মিত উপজেলা পরিষদ, রাজনৈতিক কর্মকান্ড এবং ইউনিয়ন পরিষদে কাজ করে যাচ্ছেন। তার বিরুদ্ধে যড়যন্ত্র মুলক মিথ্যা মামলা থেকে অব্যহতিসহ নিঃশর্ত মুক্তি প্রদানের জন্য মাননীয় প্রধান মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, আইনমন্ত্রীসহ স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ের প্রতি জোর দাবী জানিয়েছেন। এসময় চেয়ারম্যান মিল্টনের স্ত্রী সিফাত আরা শুকলা ও শিশু কন্যা অহনা কান্নায় ভেঙ্গে পরেন।
লিখিত বক্তব্যে মো. আজাহারুল ইসলাম বলেন, আমার পরিবার আওয়ামীলীগ পরিবার এবং এলাকায় যতেষ্ট সুনাম রয়েছে। আমার ভাই মিল্টন মির্জাপুর সরকারি কলেজের ছাত্র সংসদের ছাত্রলীগের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক এবং বর্তমানে আওয়ামীলীগের একনিষ্ঠ কর্মী। ২০১৬ সালে ইউপি নির্বাচনে আমার ভাই মিল্টন জননেত্রী প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার নিজ হাতে দেওয়া নৌকা প্রতিক পেয়ে বাঁশতৈল ইউনিয়নে বিপুল ভোটের ব্যবধানে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এলাকায় তার বিপুল জনপ্রিয়তা রয়েছে। সে ন্যায়, নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে এলাকার উন্নয়নে কাজ করায় মিল্টন টাঙ্গাইল জেলায় শ্রেষ্ঠ ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় থেকে পুরষ্কার লাভ করে।
২০১২ সালে গাজীপুর জেলার ঢাকা-ময়মনসিংহ রোডের ভোগড়া এলাকায় ডা. রুপম নামে এক ব্যক্তির মৃতদহ পাওয়া যায়। দীর্ঘ ৬ বছর পর আমরা জানতে পারি, আমাদের অগোচরে এলাকার একটি কু-চক্রী মহল আমার পরিবারের সুনাম নষ্ঠ করার জন্য এবং আমার ভাই জনপ্রিয় চেয়ারম্যান মিল্টনকে ঐ মামলায় পরিকল্পিত ভাবে আসামী করা হয়েছে। লিখিত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, মামলায় (১-৪) নম্বর আসামী জামিনে রয়েছে। একটি কু-চক্রী মহলের ইন্দনে ও সহযোগিতায় আমার ভাই মিথ্যা ও সাজানো মামলায় জেল হাজতে রয়েছে। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আমার ভাই মিল্টনের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্র মুলক মামলা দ্রুত প্রত্যাহারসহ তাকে নিঃশর্তে জেল থেকে মুক্তির দাবী জানাচ্ছি।