মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে সন্তানের পিতৃত্ব টাকা ফেরতের দাবীতে স্ত্রীর বিরুদ্ধে সংবাদ করেছে স্বামী। সন্তানের পরিচয় ও ৩৭ লাখ টাকা আত্নসাত করে প্রতারনার মাধ্যমে নিজের স্বামীকে ডিভোর্স দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে হালিমা বেগমের বিরুদ্ধে। একই সাথে নিজের সন্তানদের পিতার পরিচয় অস্বীকার করছে হালিমা বেগম। এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগি মো. ফারুক হোসেন আজ বুধবার দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবে সংসবাদ সম্মেলন করেন। টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার আজগানা ইউনিয়নের তেলিনা গ্রামে হতভাগা ফারুক হোসেনর বাড়ি।
আজ বুধবার সংবাদ সম্মেলনে ফারুক হোসেন বলেন, ১৯৯৯ সালে মির্জাপুর উপজেলার তেলিনা গ্রামের ওয়াহেদ আলী দেওয়ানের মেয়ে হালিমা বেগমের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। পরবর্তীতে ২০০৬ সালে নিজের আর্থিক অবস্থা পরিবর্তনের জন্য সৌদি আরবে চলে যান। পরে কাতার ও দবাই যাই। কয়েক দফায় দেশে আসলে আমার স্ত্রী দুই সন্তানের জননী হয়। আমি বিদেশে কর্মরত অবস্থায় আমার স্ত্রী হালিমা বেগমের কাছে বিভিন্ন সময়ে ব্যাংকে ও বিভিন্ন মাধ্যমে প্রায় ৩৭ লাখ পাঠাই। ২০২৩ সালে আমার স্ত্রী হালিমা বেগম শাহিনুরসহ একাধিক ব্যক্তির সহযোগিতায় একতরফাভাবে আমাকে তালাক প্রদান করে এবং আমার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। আমি দেশে ফেরত আসলে জোরপুর্বক বাড়ি থেকে বের করে দেয়। তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, পরবর্তীতে সন্তানদের বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পারি আমার দুই সন্তানের জন্ম নিবন্ধনে পিতার নাম আমার নামের পরিববর্তে শাহিনুরের নাম জালিয়াতির মাধ্যমে অন্তভুর্ক্ত করেন। প্রতারনা মুলক ভাবে মিথ্যা তথ্য প্রদান করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে আমাকে প্রাণনাশের হুমকি ও ভয়ভিতি দেখায়। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ভাবে সাধানের চেষ্টা করে ব্যর্থ হই। পরবর্তীতে মির্জাপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেও কোন প্রতিকার পাইনি। আমি ঘটনার সঠিক বিচার ডিএনও পরীক্ষার মাধ্যমে সন্তান প্রকৃত সত্য পিতা নির্ধারণ এবং ৩৭ লাখ টাকা ফেরতের দাবি করছি। এ ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবিও করছি।






