মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে শহীদ দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার (রায় বাহাদুরের) প্রতিষ্ঠিত কুমুদিনী হাসপাতালে দুইশত বছরের বিরল দৃষ্টান্ত রোগী ও কমপ্লেক্্েরর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এক সাথে ঈদের নামাজ আদায়। প্রতি বছর ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আযহার দিনে কুমুদিনী হাসপাতালে রোগী ও হাসপাতালের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মিলন মেলায় পরিনত হয়। আজ সোমবার (১৭ জুন) ঈদুল আযহার দিনে এই অনুষ্ঠানের কোন ব্যতিক্রম ঘটেনি। ঈদুল আযহা উপলক্ষে কুমুদিনী কমপ্লেক্্র এবং কুমুদিনী হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড নানা সাজে সজ্জিত করা হয়। হাসপাতালে ভর্তিকৃত রোগীদের উন্নত মানের খাবার পরিবেশন করা হয় বলে হাসপাতালের ডিজিএম অনিমেশ ভৌমিক লিটন জানিয়েছেন।
কুমুদিনী হাসপাতালের পরিচালক ডা. প্রদীপ কুমার রায় ও ডিজিএম অনিমেশ ভৌমিক লিটন জানান, সব কিছুর মুলে রয়েছেন কুমুদিনী ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্ট অব বেঙ্গল বিডি লি. এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজিব প্রসাদ সাহা, পরিচালক শিক্ষা প্রিন্সিপাল ও একুশে পদকপ্রাপ্ত ভাষা সৈনিক প্রতিভা মুৎসুদ্দি, পরিচালক শ্রীমতি সাহা, মহাবীর পতি ও পরিচালক সম্পা সাহা। তাদের মুলমন্ত্র একটাই, ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। কুমুদিনী কল্যাণ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও তাদের জেঠামনি আরপি সাহার মুলমন্ত্রকে বুকে ধারন ও লালন করে আজও তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। কুমুদিনী পরিবারের এমন কাজে হাসপাতালের রোগী ও তাদের স্বজনরা খুবই খুঁশি। ঈদের নামাজ শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণে বিশেষ দোয়া করা হয়। পরে হাসপাতালে ভর্তিকৃত রোগীদের মাঝে উন্নত মানের খাবার পরিবশেন কার হয়। এ সময় কুমুদিনী হাসপাতালের পরিচালক ডা. প্রদীপ কুমার রায়, ডিজিএম অনিমেশ ভৌমিক লিটন. কুমুদিনী নার্সিং কলেজের প্রিন্সিপাল সিস্টার রীনা ক্রুস, ভাইস প্রিন্সিপার সিস্টার শেফালী সরকার ও মেট্রন সিস্টার দিপালী পেরেরাসহ চিকিৎসক ও সেবিকাগন উপস্থিত ছিলেন।


