মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে পুকুর খননের নামে অবৈধ ভাবে মাটি কেটে বিক্রি করায় হুমকির মুখে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়, উপজেলা পরিষদের অফিসহ আশপাশে বসবাসকারী ২০ পরিবারের পাকা ঘরবাড়ি। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়, উপজেলা পরিষদ ভবন এবং বসবাসকারী ভুক্তভোগি পরিবার ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষার জন্য স্থানীয় এমপি এবং সহকারী কমিশনার ভুমি বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। আজ শনিবার ঘটনাস্থল ঘুরে দেখা গেছে, ভাঙ্গনের কবল থেকে পাকা পাকা ঘরবাড়ি রক্ষার জন্য নিজেদের উদ্যোগে বাঁশের বেড়া দিয়ে নির্মান করছে।
আজ শনিবার ৯১৩ জুন) ভুক্তভোগিদের মধ্যে মির্জাপুর পাইলট াবলিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক হরে কৃষ্ণ সরকার, দেওয়ান নুর মোহাম্মদ, ফাতেমা হাসনীন, আফরোজা আক্তার সার্থ, আফসানা আক্তার আশা ও নুরুল আমীনসহ অন্তত ১৫ পরিবার অভিযোগ করেন, উপজেলা পরিষদ চত্তরের দক্ষিণ পুর্ব পাশে সমবায় অফিসের (বিআরডিবির) একটি পুকুর রয়েছে। প্রতি বছর বিআরডিবি অফিস পুকুরটি মৎস জীবিদের নিকট লিজ দিয়ে থাকেন। গত বছর যারা লিজ নিয়ে ছিলেন তারা সরকারি আইন অমান্য করে পুকুর খননের নামে ভ্যেকু বসিয়ে অবৈধ ভাবে মাটি কেটে বিক্রি করায় পুকুরের চার পাশে বসবাসকারী লোকজনের পাকা ঘরবাড়ি ভেঙ্গে যাচ্ছে। এ বছর প্রচুর বৃষ্টি হওয়ায় আবাসিক পাকা ঘরবাড়ির পাশাপাশি এখন উপজেলা নির্বাহী অফিসারে কার্যালয়ের মুল ভবন এবং উপজেরা পরিষদের ভনটিরও ফাঁটল দেখা দিয়েছে।
নিজেদের পাকা ঘরবাড়ি এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়সহ উপজেলা পরিষদের ভবন রক্ষার জন্য স্থানী এমপি আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী এবং সহকারী কমিশনার (ভুমি) তারেক আজিজ বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এমপি আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার খান সালমান হাবীব ও এসিল্যান্ড তারেক আজিজকে নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার খান সালমান হাবীব এবং এসিল্যান্ড তারেক আজিজ বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দেখা গেছে বিআরডিবির পুকুর খননের পরে আশপাশে বসবাসকারী ২০-২৫ পরিবারের পাকা ঘরবাড়ি ভেঙ্গে যাচ্ছে এবং সরকারী অফিস-আদালতও হুমকির মুখে পরেছে। এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






