মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এলজিইডির অধিনে দেওহাটা-বহুরিয়া-ধানতারা রোডের দেওহাটা ব্রিজের দুই পাশে ৩০০ ফুট এপ্রোচ রোড নির্মান না হওয়ায় হাজারো মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারন করছে। দীর্ঘ দিন ধরে মির্জাপুর ও ধামরাই উপজেলার অন্তত ৪০-৫০ টি গ্রামের মানুষ যোগাযোগের ক্ষেত্রে সীমাহীন কষ্টভোগ করছেন বলে অভিযোগ করেছেন। আজ মঙ্গলবার দেওহাটা এলাকায় খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, টানা বৃষ্টিতে ব্রিজের দুই পাশের ভাঙ্গাচোরা রাস্তার করুন চিত্র।
এই রোড দিয়ে চলাচলকারী মির্জাপুর ও ধামরাই উপজেলার ভুক্তভোগি এলাকাবাসি জানায়, এলজিইডির অধিনে দেওহাটা-বহুরিয়া-ধানতারা রোডের প্রায় ১৮ কোটি টাকায় ২১ কিলোমিটার সড়ক নির্মানের সময় দেওহাটা এলাকায় প্রায় ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ৬০ মিটার একটি নতুন পাকা ব্রিজ নির্মান শুরু হয় ২০২৩ সালে। ঠিকাদারের চরম গাফলতির কারনে দেড় বছরের নির্মান কাজ চার বছরেও শেষ হয়নি। এলজিইডির চাপের মুখে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার দায়সারা ভারে ব্রিজটির গাডারসহ ঢালাইয়ের কাজ কোন ভাবে শেষ করে। কিন্ত যানবাহন ও জনসাধারণের চলাচলের জন্য ব্রিজের দুই পাশে প্রায় ৩০০ ফুট এপ্রোচ রোড নির্মান না করায় ব্রিজের উপর দিয়ে চলাচল করা যাচ্ছে না। ভুক্তভোগিদের মধ্যে এই রাস্তায় নিয়মিত চলাচলকারী স্কুল শিক্ষক আজাদ রহমান, ব্যবসায়ী আল মামুন, কলেজ ছাত্র মশিউর রহমান ও স্কুল ছাত্র সিহাব হাসান অভিযোগ করেন, দেওহাটা এলাকায় ব্রিজের দুই পাশে প্রায় ৩০০শ ফুট এপ্রোচ নির্মান না হওয়ায় এটি এখন মরণ ফাঁদে পরিনত হয়েছে। একটু বৃষ্টি হলেই কাঁদায় পরিপুর্ন রাস্তায় প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। এপ্রোচ নির্মাণের জন্য ভুক্তভোগি এলাকাবাসি জোর দাবী জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানার জন্য যোগাযোগ করা হলে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কোন কর্মকর্তাকে পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রকৌশলী মো, মনিরুল সাজ রিজন বলেন, দেওহাটা এলাকায় ব্রিজের দুই পাশে পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে দ্রুত সময়ের মধ্যে দুই পাশের এপ্রোচ নির্মানের নির্দশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ না করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






