মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এক রাতে এক বাড়ি থেকেই সাতটি গরু চুরি হয়েছে। গককাল রবিবার (১ জুন) দিবাগত রাতে উপজেলার বানাইল ইউনিয়নের দেওড়া গ্রামের ফজল মিয়ার তিনটি এবং সামছু মিয়ার চারটি গরসহ সাতটি গরুু এক বাড়ি তেকেই চুরি হয়েছে। গরু সাতটির আনুমানিক মুল্য প্রায় ১০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছেন। সাতটি গরু চুরি হওয়ায় চরম বিপাকে পরেছেন পরিবার দুটি।এর গত শনিবার উপজেলার কোদালিয়া গ্রাম থেকে পাঁচটি গরু চুরি গয়। এলাকাবাসি এক গরু চোরকে আটকসহ পাঁচটি গরু উদ্ধার করে থানায় দিয়েছে। মির্জাপুরে রাত জেগে পাহারাা দিয়েও গরু চুরি ঠেকানো যাচ্ছে না। ফলে কোরবানীর ঈদের আগে এলাকাবাসি উৎকন্ঠায় পরেছেন। প্রতি রাতেই একের পর এক বাড়িতে হচ্ছে গরু চুরি। গত কয়েক মাসের ব্যবধানে শতাধিক গরু চুরি হয়েছে বলে ভুক্তভোগিরা অভিযোগ করেছেন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষকারী বাহিনী গরু চুরি বন্ধে বিভিন্ন এলাকায় অভিযানসহ টহল ব্যবস্থা জোরদার করার জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন।
আজ সোমবার (২ জুন ) মির্জাপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ৯ মে পৌরসভার বাওয়ার কুমারজানি গ্রামের ফজলু মিয়ার দুইটি গরু, ১১ মে বহুরিয়া গ্রামের সোলাইমানের তিনটি গরু চুরি হয়। এর আগে ভাতগ্রাম ইউনিয়নের বরাটি গ্রামের সাইফুল ইসলাম ও সাজু মিয়ার দুটি গরু, পৌরসভার বাইমহাটি আদালতপাড়া গ্রামে জগদীস সরকার বাড়িতে চারটি গরু, বাঁশতৈল ইউনিয়নের তিন বাড়িতে পাঁচটি গরু ও গোড়াই ইউনিয়নের রহিমপুর গ্রামে এক রাতে তিন বাড়িতে ছয়টি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। অ্ৈপ কয়েক দিনের ব্যবধানে শতাধিক গরু চুরি হয়েছে বলে াভিযোগ পাওয়া গেছে।। মির্জাপুর পৌরসভা, মহেড়া, জামুর্কি, ফতেপুর, বানাইল, আনাইতারা, ওয়ার্শি, ভাতগ্রাম, ভাওড়া, বহুরিয়া, লতিফপুর, গোড়াই, আজগানা, তরফপুর ও বাঁশতৈল ইউনিয়নে গরু চুরি হচ্ছে বরে ভুক্তভোগিদের অভিযোগ।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রাসেদুল ইসলাম ও সি (তদন্ত) মো. সালাউদ্দিন মিয়া বলেন, এলাকায় গরু চুরি বন্ধ করার জন্য এবং গরু চোরদের ধরতে পুলিশ প্রশাসন তৎপর রয়েছে। পুলিশ নিয়মিত বিভিন্ন এলাকায় টহল দিয়ে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন গরু চোরকে গ্রেফতার এবং চুরি যাওয়া গরু উদ্ধার করে গৃহস্থ্যদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।







