মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
বাঁচানো গেলোনা ফুটফুটে সেই শিশু পুত্র প্রিয়াম হক (৪) কে। আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানী ঢাকার এভার কেয়ার হাসপাতালে সে মারা যায়। এর এক দিন আগে গত বুধবার মারা যায় তার ফুফু শারমিন হক বিথি। এভার কেয়ার হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে প্রিয়ামের বোন আলিজা (৭) এবং চাচাতো বোন মানহা (৯)। আজ শুক্রবার বাদ মাগরিব মির্জাপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে নামাজে জানাজা শেষে পৌরসভার বাইমহাটি কেন্দ্রীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে। মর্মান্তিক এই ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
আজ শুক্রবার প্রিয়ামের বড় চাচা ব্যবসায়ী সাজেদুল হক ঝিলু জানান, তার ছোট বোন শারমিন হক বিথি তার স্বামী আমিরুল হক এবং সন্তানদের নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা থাকেন। সম্প্রতি দেশে বেড়াতে আসেন। গত বুধবার দুপুরে বিথি তার কন্যা, ভাতিজিসহ পরিবারের লোকজন নিয়ে একটি অটো রিকসায় বেড়াতে বের হয়। অটো রিকসাটি মির্জাপুর বাইপাস এলাকার দিকে এলে বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগামী ঘাতক একটি বাস অটোরিকসাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই বিথি মারা যায়। আহত হয় তার শিশু কন্যা আলিজা, ছোট ভাই মোস্তাফিজুল হক পিলুর ছেলে ভাতিজা প্রিয়াম ও বড় ভাই সামিনুল হহকের মেয়ে ভাতিজি মানহা। স্থানীয় লোকজন আহত শিশুদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করে। শিশুদের অবস্থার উন্নিতি না হওয়ায় আশংকাজনক অবস্থায় তাদের রাজধানী ঢাকার এভার কেয়ার হাসপাতালে রেফার করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ শুক্রবার প্রিয়াম মারা যায়। এভার কেয়ার হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে প্রিয়ামের বোন আলিজা (৭) এবং চাচাতো বোন মানহা (৯)। মর্মান্তিক এ্ দিুর্ঘটনায় তাদরে পরিবারটি দিশেহারা হয়ে পরেচে বরে তিনি জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে গোড়াই হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মাসুদ খান বলেন, নিহতেদর লাশ আইনী প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের নিকট বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। আশপাশের সিসি ফুটেজ দেখে ঘাতক বাসটি আটকের চেষ্টা চলছে।







