মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট শুরু হয়েছে। খন্ড খন্ড যানজটের কবরে পরে ঈদে কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীদের প্রখর রোদ ও তীব্র গরমে অসহনীয় দুর্বোগের মিকার হতে হচ্ছে বলে যাত্রীগন অভিযোগ করেছেন। আজ রবিবার মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে কোঁজ নিয়ে যানজটের এমন চিত্র দেখা গেছে।
জানা গেছে, ঈদের টানা ১০ দিন ছুটির পর আজ খুলছে অফিস আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও পোষাক কারখানা। উত্তরাঞ্চল থেকে শতশত যানহবাহন চলাচল করছে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়ক দিয়ে। হাজার হাজার যাত্রী ও যানবাহনের চাপে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের যমুনা সেতুর পুর্ব প্রান্ত থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার যানজট রয়েছে। আবার মহাসড়কের নাটিয়াপাড়া থেকে মির্জাপুর এবং মির্জাপুর বাইপাস থেকে হাটুভাঙ্গা এবং হাটুভাঙ্গা ধেকে চন্দ্রা পর্যন্ত ২২ কিলোমিটার তীব্র যানজট। আবার মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে যাত্রীবাহী বাস ও মালবাহী ট্রাক বিকল হয়ে যানজট হচ্ছে। পুলিশ ও পরিবহন শ্রমিকরা জানায়, আজ রবিবার সকাল থেকে এই মহাসড়কে যানবাহনের চাপ তিন থেকে চার গুন বেড়ে যাওয়ায় রাজধানীগামী লেনে একদিকে এই যানজট শুরু হয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে প্রখর রোদ ও তীব্র গরমে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পরেছে। এরমধ্যে মহাসড়কে তীব্র যানজটের কবলে পরে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে বলে ঈদে কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীগন অভিযোগ করেছেন।
এদিকে মহাসড়কে যাত্রীদের ও পরিবহন শ্রমিকদের নিরাপত্তা দিতে টাঙ্গাইল জেরা পুলিশের ৬ শতাধিক পুলিশ বাহিনী মহাসড়কে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি হাইওয়ে পুলিশ ও থানা পুলিশ কাজ করছেন।
এ ব্যাপারে গোড়াই হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জসিম উদ্দিন বলেন, আজ রবিবার প্রথম অফিস ও পোষাক কারখানা খুলছে। তাই এই মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় থেকে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। তবে বিকেল নাগাদ এই যানজট কবে যাবে বলে তিনি আশা করছেন।







