মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও বিভিন্ন আঞ্চলিক রোডে চাঁদাবাজি বন্ধে মাইকিং করেছেন পুলিশ। কেউ চাঁদা নিতে এলে তাকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন দিন ব্যাপি পরিবহন থেকে চাঁদা আদায় বন্ধের জন্য এ মাইর্কিং করেন।
জানা গেছে, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও বিভিন্ন আঞ্চরিক রোডে চলাচলকারী বাস, ট্রাক, সিএনজি, অটো, লেগুনাসহ সকল ধরনের পরিবহন থেকে এক শ্রেণীর শ্রমিক বিভিন্ন সংগঠনসহ নামে বেনামে বিপুল অংকের চাঁদা উত্তোলন করে আসছে। টাঙ্গাইল থেকে ঢাকা এবং গাজীপুরের চন্দ্র পর্যন্ত চলাচলকারী বাস, মিনিবাস, মাইক্রোবাস, ট্রাক, লেগুনা, অটো, সিএনজিসহ বিভিন্ন পরিবহন থেকে পরিবহন শ্রমিককের লাঠিয়াল বাহিনী পরিবহন থেকে ৫০০শ টাকা থেকে ২০০শ টাকা পর্যন্ত চাঁদা নিয়ে আসছে।
এ ছাড়া টাঙ্গাইল-বাসাইল-সখীপুর, টাঙ্গাইল-নাগরপুর-দেলদুয়ার, মির্জাপুর-দেলদুয়ার-নাগরপুর, পাকুল্যা-দেলদুয়ার, নাটিয়াপাড়া-মহেড়া, মির্জাপুর-ওয়ার্শি-বালিয়া, মির্জাপুর-গোড়াই-চন্দ্রা, গোড়াই-সখীপুর রোডসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক রোডে প্রতি দিন লাখ লাখ টাকা অবৈধ চাঁদা উত্তোলন হয়ে আসছে। নতুন সরকার ক্ষমতা গ্রহনের পর চাঁদা তোলা বন্ধ করার জন্য কঠোর হুশিয়ারী দিয়েছেন। পুলিশের উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের নির্দেশে পরিবহন থেকে চাঁদা উত্তোলন বন্ধ করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিবহন থেকে চাঁদাবাজি বন্ধে পুলিশের এ মাইকিং করাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন পরিবহন শ্রমিকসহ এলাকাবাসি।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের নির্দেশে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কসহ বিভিন্ন আঞ্চরিক রোডে পরিবহন থেকে কাউকে চাঁদা না দেওয়ার জন্য পরিবহন শ্রমিকদের সতর্ক করা হয়েছে।







