মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল,
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় চলতি বছর টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলা থেকে ট্যালেন্টপুলসহ বৃত্তি পেয়েছে ৬৬ জন শিক্ষার্তী। ৬৬ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে উপজেলা সদরের মির্জাপুর এস কে পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকেই বৃত্তি পেয়েছে ৩০ জন। ৩০ জনের ১০ জন ট্যালেন্টপুলে এবং ২১ জন সাধারণ বৃত্তি পেয়েছে। ভাল ফলাফল অর্জন হওয়ায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উৎসাহ উদ্দীপনা বিরাজ করছে। আজ বৃহস্পতিবার জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জুলফিকার হায়দার এবং একাডেমিক সুপারভাইজার প্রবীর কুমার চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সুত্র জানায়, দীর্ঘ দিন পর উৎসব মুখর পরিবেশে মির্জাপুর উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ৯৫০ জন শিক্ষার্থী জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে। আজ বৃহস্পতিবার ফলাফল প্রকাশ হলে দেখা যায় এ উপজেলায় ১৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ৬৬ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। এদের মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ২১ জন এবং সাধারণ গ্রেডে ৪৫ জন। উপজেলা সদরের মির্জাপুর এস কে পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় সবচেয়ে ভাল ফলাফল অর্জন করেছে। এই স্কুল থেকে থেকে ট্যালেন্টপুলসহ ৩০ জন, মির্জাপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১০ জন, রাজাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় ৮ জন, গেরামারা গোহাইলবাড়ি সবুজ সেনা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ০৩ জন, সিয়াম একাডেমি থেকে ০২ জন, দেওহাটা এ জে উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ০২ জন, লতিফপুর একতা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ০২ জন, টাঙ্গাইল কটনস মিলস উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ০১ জন, মহেড়া আনন্দ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ০১ জন, আদাবাড়ি গহের আলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ০১ জন, বাঁশতৈল মো. মনশুর আলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ০১ জন, বংশাই স্কুল এন্ড করেজ থেকে ০১ জন, জনতা গল্লী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ০১ জন, ছিট মামুদপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ০১ জন, ফতেপুর ময়নাল হক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ০১ জন এবং ভাতগ্রাম কে আর এস ইনস্টিটিউশন থেকে ০১ জনসহ মোট ৬৬ জন শিক্ষার্থী জুনিয়র বৃত্তি অর্জন করেছে।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর এস কে পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত বাবু প্রফুল্ল কুমার সরকার বলেন, দীর্ঘ দিন পর জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা পুনরায় চালু হওয়ায় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে চাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। তার বিদ্যালয় থেকে ৩০ শিক্ষার্থী জুনিয়র বৃত্তি পাওয়ায় সকলের নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুরাইয়া ইয়াসমিন বলেন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ সকলের সহযোগিতায় সুষ্ঠু ও শান্তিপুর্ন পরিবেশে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ফলাফল প্রকাশে দেখা গেছে ৬৬ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। চলতি বছর এসএসসি ও আগামী জুনিয়র পরীক্ষায় আরও ভাল ফলফল অর্জন হবে বলে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।







