মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
এক সন্তানের জননীকে বাড়ি থেকৈ তুলে নিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধারের পর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অমানবিক ও চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি ঘটেছে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার পৌরসভার কাণ্ঠালিয়া গ্রামে। ঘটনার পর থেকে ধর্ষণকারীরা পলাতক বলে এলাকাবাসি জানিয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শনে রয়েছেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঘটনার সঙ্গে জড়িত এখন পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হয়নি।
আজ শুক্রবার (১ লা মে) এলাকাবাসি জানায়, ভুক্তভোগি গণধর্ষনের শিকার এক সন্তানের জননীর পিতার নাম শুকুর মিয়া। গ্রামের বাড়ি পৌরসভার কাণ্ঠালিয়া গ্রামে। পুর্বের স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ির পর এক কন্যা সন্তান নিয়ে তিনি বাপের বাড়িতে থাকছেন। ঘটনার মুলহোতা হচ্ছে আন্ধরা গ্রামের নাজিম মিয়ার বখাটে পুত্র নুরুল হক। নুরুল হক ও তার সহযোগিরা গতকাল বৃহস্পতিবার প্রতারনার ফাঁদে ফেলে এক সন্তানের জননীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গাজীপুরের কালিয়াকৈরের উদ্যেশ্যে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে নির্জন স্থানে এক সন্তানের জননীকে দিন ভর পালাক্রমে একাধিকবার ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে তিনি অসুস্থ্য হয়ে পরে। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে রক্তাক্ত অবস্থায় গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে প্রথমে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় আজ শুক্রবার দুপুরে তাকে টাঙ্গাইল হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেলে রেফার করা হয়েছে।
এদিকে এই ঘটনা এলাকায় ছড়িয়ে পরলে ধর্ষণকারীদের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি ও গ্রেফতারের দাবীতে উত্তেজনা দেখা দেয়। ধর্ষিতার পরিবার নিরীহ ও অসহায় হওয়ায় এখন পর্যন্ত মামলা করতে পারেনি। পরিবারটি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বেল অভিযোগ করেন।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানায় যোগাযোগ করা হলে ডিউটি অফিসার বলেন, ধর্ষনের খবর পাওয়ার পর পুলিশের পক্ষ থেকে ওসি তদন্ত রাশেদ আহমেদ ও এসআই সুমন পুলিশ ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে রয়েছেন। পরিবার থেকে অভিযোগ করা হলে আইনগত ব্যবস।তা নেওয়া হবে।
মির্জাপুর থানার ওসি তদন্ত রাশেদ আহমেদ ও এসআই সুমন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ভুক্তভোগির পরিবারের সঙ্গে কথা বলে আইনহগত সহায়তার আশ^াস দেওয়া হয়েছে। তাদের অভিযোগ করতে বলা হয়েছে। ভুক্তভোগি নারী চিকিৎসাধীন রয়েছে। ধর্ষণকারীরা পলাতক রয়েছে।







