মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
জমি দখল নিয়ে বাড়িঘরে ব্যাপক ভাংচুর ও হামলা হয়েছে। হামলায় মহিলাসহ অন্ততপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছে। হামলায় আগুতর আহতরা হচ্ছেন সজিব হোসেন, শুকুর মিয়া, শফিকুল ইসলাম, নোয়াব আলী, শহিনুর রহমা ও আনোয়ারা বেগমসহ ১০ জন। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ওয়ার্ড আওয়ামীলীড়ের সভাপতি মো. জুলহাস মিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অপর দিকে প্রতিপক্ষ দাবী করেছেন তাদের পক্ষের মহিলাসহ ৬ জন আহত হয়েছে। আজ রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার লতিফপুর ইউনিয়নের বড়দাম বান্দরমারা গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
জানা গেছে, পৈত্রিক সুত্রে মালিক হয়ে নোয়াব আলী গংরা জমিতে ঘরবাড়ি তৈরী করে যুগযুগ ধরে বসবাস করছেন। এই জমি নিজেরে দাবী করে প্রতিপক্ষ আওয়ামীলীগ নেতা জুলহাস ও সামাদ গংরা আজ রবিবার সকাল নয়টার দিকে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্্রধারী নিয়ে নোয়াব আলী গংদের বাড়ি ঘরে ভাংচুর ও হামলা চালায়। তাদের বাঁধা দিতে গেলে জুলহাস গংরা লাঠিসোঠা ও ধারালো অস্্র নিয়ে হামলা চালায়। হামলায় সজিব হোসেন, শুকুর মিয়া, শফিকুল ইসলাম, নোয়াব আলী, শহিনুর রহমান, আনোয়ারা বেগমসহ ১০ জন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত সজিব, নোয়াব আলী ও আনোয়ারা বেগম অভিযোগ করেন আওয়ামীলীগ নেতা জুলহাস, সালাম, জাকির, আনোয়ার, সাগর, উজ্জল, কামরুল, সিয়াম, মতি, হাসনা বেগম, শারমিন, সুরিয়া ও ইতিসহ ২০-২৫ জন অন্যায় ভাবে তাদের বাড়িঘর ভাংচুর ও হামলা চালিয়ে তাদের গুরুতর আহত করেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আওয়ামীলীগ নেতা জুলহাস মিয়াকে গ্রেফতার করেছে। তিনি লতিফপুর ইউনিয়ন ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি। এ ব্যাপারে হাসমত আলী বাদী হয়ে আওয়ামীলীগ নেতা জুলহাস মিয়াকে প্রধান আসামী করে ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেছেন।
অপর দিকে প্রতিপক্ষ প্রতিপক্ষ সালাম, জাকির ও জুলহাস গংরা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, জমি নিয়ে নোয়াব আলী গংদের মধ্যে তাদের দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এই জমি তাদের হলেও নোয়াব আলী গংরা দখলে রেখেছে। আজ রবিবার জমি উদ্ধারের জন্য গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়। মারামারিতে তাদের পক্ষের ৬-৭ জন আহত হয়েছে। তাদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার উপপরিদর্শক প্রদীপ সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনা হয়েছে। ভাংচুর ও হামলার ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। তাদের চিকিৎসা চলছে। ঘটনাস্থল থেকে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে হাসমত আলী বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। অপর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ আসেনি।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মোশারফ হোসেন বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে বাড়িঘর ভাংচুর ও হমালার ঘটনা ঘটেছে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আহতদের চিকিৎসা চলছে। । মামলা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এলাকার পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে।







