বাংলা নিউজ
Sunday, April 19, 2026
Home Blog Page 46

মির্জাপুরে দক্ষিণ নাজিরপাড়া সড়ক উন্নয়ন কাজের ভিত্তি প্রস্তর

মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
স্বাধীনতার ৫২ বছর পর টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে গোড়াই দক্ষিণ নাজিরপাড়া সুরুজ মিয়ার বাড়ি হইতে মীরপাড়া তোফাজ্জল মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত আইআরডিপি প্রকল্পের আওতায় সড়ক উন্নয়নের কাজের ভিত্তি প্রস্তর করা হয়েছে। এ উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার (১৩ এপ্রিল) বিকেলে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ভূমি মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য খান আহমেদ শুভ এমপি। বক্তব্য রাখেন, মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. হাফিজুর রহমান, উপজেলা প্রকৌশলী মো. আরিফুর রহমান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আমিনুর রহমান আকন্দ, আওয়ামীলীগ নেতা সালাউদ্দিন ভুইয়া ঠান্ডু, ফালু মিয়া এবং এমপির একান্ত ব্যক্তিগত সচিব মীর আসিফ অনিক প্রমুখ।

মির্জাপুরে রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ইফতার উপলক্ষে ইউএনওর বিদায় সম্বর্ধনা

মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ইফতার, দোয়া মাহফিল উপলক্ষে জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ে সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে (পদন্মতি) বদলীজনিত কারনে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. হাফিজুর রহমানকে বিদায়ী সম্বর্ধনা দেওয়া হয়েছে। আজ রবিবার মির্জাপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির মিলনায়তনে সুধীজনের সম্মানে ইফতার, দোয়া মাহফিল এবং ইউএনও মো. হাফিজুর রহমানকে ক্রেস্ট প্রদান করে বিদায়ী সংম্বর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে ভূমি মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য খান আহমেদ শুভ এমপি, মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম, শহীদ ভবানী প্রসাদ সাহা সরকারী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো. সালাউদ্দিন আহমেদ বাবর, পৌরসভার সাবেক দুই মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা এড. মোশারফ হোসেন মনি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শহিদুর রহমান, বাংলাদেশ জাতীয় পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান খন্দকার বিপ্লব মাহমুদ উজ্জল, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. আজাহারুল ইসলাম, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড সংসদের আহবায়ক মো. শামীম আল মামুন, পৌর মেয়র সালমা আক্তার শিমুলের প্রতিনিধি হিসেবে পৌর কাউন্সিলর মো. আলী আজম সিদ্দিকী, উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ও সাবেক ভিপি মো. আবু আহমেদ, পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক ভিপি মো. হযরত আলী মিঞা, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. ফরিদুল ইসলামসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্্র মিডিয়ার সাংবাদিক, শিল্পী, বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক নেতৃবৃন্দসহ সুধীজন উপস্থিত ছিলেন। দোয়া পরিচালনা করেন মির্জাপুর থানা জামে মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলনা কারী মো. ফরিদ হোসাইন।

মির্জাপুরে সেই অসুস্থ্য বীর মুক্তিযোদ্ধা লাল মিয়ার চিকিৎসার জন্য পাশে এসে দাড়িয়েছেন ইউএনও হাফিজুর রহমান

মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
দৈনিক ইত্তেফাকে অনলাইন ভার্ষনে সংবাদ প্রকাশের সেই অসুস্থ্য বীর মুক্তিযোদ্ধা লাল মিয়ার চিকিৎসার জন্য পাশে এসে দাড়িয়েছেন মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও জনবান্ধব দায়িত্বশীল কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান। গত ২৫ মার্চ দৈনিক ইত্তেফাকে সংবাদ প্রকাশের পর টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. জসীম উদ্দীন হায়দারের নির্দেশনা ও সহযোগিতায় জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা লাল মিয়ার চিকিৎসার জন্য তার পরিবারের কাছে গতকাল বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) অর্থের চেক তুলে দিয়েছেন নির্বাহী অফিসার। এ সময় মির্জাপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা এড. মোশারফ হোসেন মনি, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শাজাহান আলী মিয়া, কীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন আল আজাদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা নাইমুদ্দিন, এবং অসুস্থ্য বীর মুক্তিযোদ্ধা লাল মিয়ার পরিবারের পক্ষে তার মেয়ে এবং মেয়ের জামাই উপস্থিত ছিলেন। আর্থিক সহযোগিতা পেয়ে লাল মিয়ার পরিবার দৈনিক ইত্তেফাক পরিবার এবং প্রশাসনের নিকট কৃতজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন।
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে দীর্ঘ দিন ধরে জটিল রোগে আক্রান্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. লাল মিয়া (৭১) অর্থের অভাবে চিকিৎসা হচ্ছে না। ইতিমধ্যে তার একটি পা কেটে ফেলতে হয়েছে। হাসপাতালের বিছানায় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা লাল মিয়া। তার চিকিৎসার জন্য পরিবারটি এখন অসহায় হয়ে পরেছে। টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের পুষ্টকামুরী গ্রামের মৃত দবির উদ্দিনের পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা লাল মিয়ার বাড়ি
উপজেলা আওয়ামীলীগের সহভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী জানান, লাল মিয়া একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয় কর্তৃক জারিকৃত মুক্তিযোদ্ধা নম্বর-১৯৩০০০১৫৫৩। মুক্তিযোদ্ধাদের ভারতীয় তালিকায় (সেক্টর) নম্বর- ৫১৬০, লাল মুক্তিবার্তা নম্বর-০১১৮০৫০০৩৪ এবং বেসামরিক গেজেট নম্বর-২৯৪৩। তিনি দীর্ঘ দিন ধরে শারীরিক নানা সমস্যসহ জটিল রোগে আক্রান্ত। বিছানা থেকে উঠতে ও বসতেও পারেন না। বেসরকারী বিভিন্ন ক্লিনিক, কুমুদিনী হাসপাতাল ও রাজধানী ঢাকার বারডেম জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। চিকিৎসকদের পরামর্শে তার ডান পা কেটে ফেলতে হয়েছে। এখন বাম পায়েও পচন ধরেছে। মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে এখনও চিকিৎসাধীন। তাকে চিকিৎসা করাতে ইতিমধ্যে নিঃস্ব হয়ে পরেছে পুরো পরিবার।
এদিকে চিকিৎসকগন জানিয়েছেন তাকে বাঁচাতে হলে দেশের বাহিরে (বিদেশে) নিয়ে উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন। সে জন্য ৪০-৫০ লাখ টাকার দরকার। বিপুল পরিমান অর্থ যোগার করা অসহায় এই পরিবারের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন। মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা, স্বাস্থ্য ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয়সহ দেশবাসির নিকট আর্থিক ভাবে সাহায্যের জন্য আকুল আবেদন জানিয়েছেন তার এক পুত্র ও এক কন্যা। তাকে সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা মো. লাল মিয়া, সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর-৬০১৭০২৬০০০৭৬৭, সোনালী ব্যাংক, মির্জাপুর শাখা, টাঙ্গাইল। মোবাইল নগদ বিকাশ নম্বর ০১৭৩৮-৬২৬৩২৩।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. হাফিজুর রহমান বলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা লাল মিয়া দীর্ঘ দিন ধরে অসুস্থ্য। এই ভাতার টাকায় তার চিকিৎসা ও পরিবারের ব্যয়ভার নির্বাহ করা খুবই কষ্টকর। জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে তার একটি পা কেটে ফেলতে হয়েছে। বিছানা থেকেও উটতে বসতে পারেন না। গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশনায় প্রশাসন থেকে তাকে চিকিৎসার জন্য আর্থিক বাবে সহযোগিতা করা হয়েছে।

মির্জাপুরে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের উদ্যোগ ইফতার ও দোয়া মাহফিল

মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
আজ বৃহস্পতিবার টাঙ্গাইরের মির্জাপুরে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ মির্জাপুর উপজেলা শাখার উদ্যোগ ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্্র মিলনায়তনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. হাফিজুর রহমান। এ সময় সাবেক পৌর মেয়র এড. বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশারফ হোসেন মনি, বীর মুক্তিযোদ্ধা সরকার হিতেশ চন্দ্র পুলক, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ মির্জাপুর উপজেলা শাখার আহবায়ক ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. আজাহারুল ইসলাম, যুগ্ম আহবায়ক মো. শামীম আল মামুনসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

মির্জাপুরে ক্ষুদ্র-নৃগোষ্টি শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল ও নগদ অর্থ বিতরণ

মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে পাহাড়ি অঞ্চলের ক্ষুদ্র-নৃগোষ্টি শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) উপজেলা প্রশাসন থেকে বাঁশতৈল ইউনিয়নের গায়রাবেতিল এলাকায় ক্ষুদ্র-নৃগোষ্টির শিক্ষার্থীর মাঝে এ বাইসাইকেল এবং নগদ অর্থ তুলে দেওয়া হয়।
এ উপলক্ষে গায়রাবেতিল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. হাফিজুর রহমান। এ সময় উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. আজাহারুল ইসলাম, বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সফেক্টর মো. সাকাওয়াত হোসেন, বাঁশতৈল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ হেলাল দেওয়ান, ইউনিয়ন আওয়াামীলীগের সভাপতি মো. আজারুল ইসলাম আজাহার প্রমুখ। পরে শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল এবং নগদ অর্থ তুলে দেন অতিতিবৃন্দ।

মির্জাপুরে মেয়ের শ^শুর বাড়িতে বাবা হাসু হত্যার প্রধান আসামী সজলসহ দুইজন গ্রেফতার

মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মেয়ের শ^শুর বাড়িতে শ্রমিক নেতা ও মির্জাপুর সদরের সমবায় সুপার মার্কেটের নাইট গার্ড আবুল হাসেম ওরফে হাসু মিয়া হত্যার প্রধান আসামী সজলসহ দুই আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার (৫ এপ্রিল) সজলকে মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে অপার আসামী লাইলী বেগমকে সরিষাদাইর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয। মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আজ বুধবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, গত শুক্রবার (৩১ মার্চ) উপজেলার ভাওড়া ইউনিয়নের সরিষাদাইর গ্রামে মো. হাসু মিয়া (৬০) নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়। তার পিতার নাম মোকছেদ আলী বেপারি। গ্রামের বাড়ি মির্জাপুর পৌরসভার পুষ্টকামুরি মধ্যপাড়া গ্রামে। তার মেয়ে রুবিনা আক্তারের স্বামী জুয়েল মিয়া দীর্ঘ দিন ধরে প্রবাসে থাকেন। স্বামীর অনুপস্থিতিতে শ^শুর বাড়ির লোকজন নির্যাতন করে জমি দখলের চেষ্টা করলে রুবিনা তার পিতা হাসু মিয়াকে। গত শুক্রবার তিনি সরিষাদাইর গ্রামে গেলে মেয়ের শ^শুর বাড়ির লোকজন হাসু মিয়ার উপর হামলা চালালে তিনি নিহত হন। নিহত হাসু মিয়ার মেয়ে রুবিনা ঘাতক সজল, আমির হামজা, লাইলী, নিলুফা ও ঝুমাকে আসামী করে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পর আসামীরা আতœগোপনে চলে যায়। তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে দুই আসামী গ্রেফতার করা হয়। অপর আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলে তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান।
এর আগে গত গত রবিবার (২ এপ্রিল) হত্যাকারীদের গ্রেফতারসহ ফাঁসির দাবীতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে মানব বন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুর পুরাতন বাস স্টেশন এলাকায় ঘন্টা ব্যাপি এ কর্মসুচী পালিত হয়। হাসুর অসহায় পরিবার এবং এলাকাবাসি এ কর্মসুচীর আয়োজন করে। মানব বন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, মির্জাপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা এড. মোশারফ হোসেন মনি, সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শহিদুর রহমান শহিদ, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা সরকার হিতেশ চন্দ্র পুলক, উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ও সাবেক ভিপি মো. আবু আহমেদ, শহীদ ভবানী প্রসাদ সাহা সরকারী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো. সালাউদ্দিন আহমেদ বাবর, পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক ভিপি মো. হযরত আলী মিঞা, সাধারন সম্পাদক এস এম মহসীন, আওয়ামীলীগ নেতা মো. বাবুল খান, মো. ফরহাদ উদ্দিন আছু, সৈয়দ ওয়াহিদ ইকবাল এবং মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম প্রমুখ।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম বলেন, মামলায় যাদের আসামী করা হয়েছে তাদের মধ্যে সজল মিয়া এবং লাইলী বেগমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপর আসামীদের ধরতে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে পুলিশ চিরুনি অভিযান শুরু করেছে। আশা করা হচ্ছে দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামীদের গ্রেফতার করা সম্ভব হবে। নিহত হাসু মিয়ার পরিবার যাতে ন্যায় বিচার পান সে জন্য পুলিশ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে তার পরিবারকে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে।

মির্জাপুরে গোড়ান-সাটিয়াচড়ায় বীর শহীদদের স্মরণে ৫২ তম স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠান

মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক সংলগ্ন ৩রা গোড়ান-সাটিয়চড়ায় গ্রাম বাংলার ঢাকার বাইরে মুক্তিযুদ্ধের প্রথম প্রতিরোধ যুদ্ধ দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে ৩ এপ্রিল গ্রাম বাংলার প্রথম প্রতিরোধ যুদ্ধ স্মৃতি সংসদ গোড়ান-সাটিয়াচড়ায় মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি স্তম্বে পুষ্প স্তবক অর্পন ও শহীদদের স্মরণে ৫২ তম স্মৃতিচারনসহ আলোচনা সভার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর এনায়েত হোসেন মন্টু। উদ্ধোধক ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. হাফিজুর রহমান।
৩ এপ্রিল গ্রাম বাংলার প্রথম প্রতিরোধ যুদ্ধ স্মৃতি সংসদের সভাপতি কমরেড গোলাম নওজব পাওয়ার চৌধূরীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সরকার হিতেশ চন্দ্র পুলক, সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা এড. মোশারফ হোসেন মনি, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এ এস এম মোজাহিদুল ইসলাম মনির ও তৌফিকুর রহমান তালুকদার রাজিব প্রমুখ।
৩রা এপ্্িরল ১৯৭১ স্বাধীনতার গ্রাম বাংলার প্রথম প্রতিরোধ যুদ্ধ স্মৃতি সংসদের সভাপতি গোলাম সওজব পাওয়ার চৌধুরীসহ একাধিক বীর মুক্তিযোদ্ধাগন জানান, ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের পর মুক্তিপাগল জনতা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে। টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ফজলুর রহমান খান ফরুক, সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মো. একাব্বর হোসেন ও বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তমের নের্তৃত্বে আপামর জনতা প্রতিরোধ যুদ্ধে ঝাপিয়ে পরেন। স্থান হিসেবে বেছে নেন ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুর উপজেলার গোড়ান-সাটিয়াচড়া। ২রা এপ্রিল মুক্তিপাগল জনতা জানতে পারেন, পাকসেনারা এই রাস্তা দিয়ে গাড়িবহর নিয়ে টাঙ্গাইলের উদ্দেশে আসছে। গোড়ান-সাটিয়াচড়া আসামাত্র চার দিক থেকে আক্রমন শুরু হয়। এই প্রতিরোধ যুদ্ধে ২৯ জন ইপিআরসহ সাটিয়াচড়াসহ আশপাশের গ্রামের ১৫১ জন নারী পুরুষ শহীদ হন। পাকসেনারা হেলিকপ্টারযোগে আক্রমন করে মুক্তিযোদ্ধা, ইপিআর ও নিরীহ নারী পুরুষকে হত্যা করে এবং জালিয়ে পুড়িয়ে দেয় শত-শত ঘরবাড়ি। শহীদদের মধ্যে সুবেদার আব্দুল আজিজ, হাবিলদার আব্দুল খালেক, হাবিলদার খলিলুর, আব্দুল গফুর, মকবুল হোসেন, করটিয়া সরকারী সা’দত বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শাখার ছাত্রলীগের সাংগাঠনিক সম্পাদক জুমারত আলীসহ ২৯ জন ইপিআর ও ১৫১ জন শহীদ হন।

মির্জাপুরে হাসুর খুনীদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবীতে মানব বন্ধন প্রতিবাদ সমাবেশ

মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে শ্রমিক নেতা ও মির্জাপুর সদরের সমবায় সুপার মার্কেটের নাইট গার্ড আবুল হাসেম ওরফে হাসু মিয়া হত্যার প্রতিবাদ এবং হত্যাকারীদের গ্রেফতারসহ ফাঁসির দাবীতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে মানব বন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে। আজ রবিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুর পুরাতন বাস স্টেশন এলাকায় ঘন্টা ব্যাপি এ কর্মসুচী পালিত হয়। হাসুর অসহায় পরিবার এবং এলাকাবাসি এ কর্মসুচীর আয়োজন করে। মানব বন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, মির্জাপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা এড. মোশারফ হোসেন মনি, সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শহিদুর রহমান শহিদ, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা সরকার হিতেশ চন্দ্র পুলক, উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ও সাবেক ভিপি মো. আবু আহমেদ, শহীদ ভবানী প্রসাদ সাহা সরকারী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো. সালাউদ্দিন আহমেদ বাবর, পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক ভিপি মো. হযরত আলী মিঞা, সাধারন সম্পাদক এস এম মহসীন, আওয়ামীলীগ নেতা মো. বাবুল খান, মো. ফরহাদ উদ্দিন আছু, সৈয়দ ওয়াহিদ ইকবাল এবং মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম প্রমুখ।
প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তাগন বলেন, গত শুক্রবার (৩১ মার্চ) উপজেলার ভাওড়া ইউনিয়নের সরিষাদাইর গ্রামে মো. হাসু মিয়া (৬০) নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়। তার পিতার নাম মোকছেদ আলী বেপারি। গ্রামের বাড়ি মির্জাপুর পৌরসভার পুষ্টকামুরি মধ্যপাড়া গ্রামে। তার মেয়ে রুবিনা আক্তারের স্বামী জুয়েল মিয়া দীর্ঘ দিন ধরে প্রবাসে থাকেন। স্বামীর অনুপস্থিতিতে শ^শুর বাড়ির লোকজন নির্যাতন করে জমি দখলের চেষ্টা করলে রুবিনা তার পিতা হাসু মিয়াকে। গত শুক্রবার সকালে তিনি সরিষাদাইর গ্রামে গেলে মেয়ের শ^শুর বাড়ির লোকজন হাসু মিয়ার উপর হামলা চালালে তিনি নিহত হন। নিহত হাসু মিয়ার মেয়ে রুবিনা ঘাতক সজল, আমির হামজা, লাইলী, নিলুফ ও ঝুমাকে আসামী করে মামলা দায়ের করেছেন। মালার পরও পুলিশ আসামীদের গ্রেফতার না করায় তারা হতাশা ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। আসাদের দ্রুত গ্রেফতার করা না হলে আরও কঠোর আন্দোলন দেওয়া হবে বলে বক্তাগন হুশিয়ারী দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম বলেন, ঘটনার পর পুলিশের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। থানায় মামলা করেছেন নিহত হাসু মিয়ার মেয়ে রুবিনা আক্তার। মামলায় যাদের আসামী করা হয়েছে তাদের মধ্যে লাইলী বেগমকে গতকাল শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপর আসামীদের ধরতে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে পুলিশ চিরুনি অভিযান শুরু করেছে। আশা করা হচ্ছে দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামীদের গ্রেফতার করা সম্ভব হবে। নিহত হাসু মিয়ার পরিবার যাতে ন্যায় বিচার পান সে জন্য পুলিশ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে তার পরিবারকে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে।

মির্জাপুরে গোড়াই-সখীপুর আঞ্চলিক রোডে অবৈধ ভাবে চাঁদা উত্তোলনের সময় ট্রাক্টর চাপায় বৃদ্ধ নিহত

মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে গোড়াই-সখীপুর আঞ্চরিক রোডে যানবাহন থামিয়ে চাঁদা উত্তোলনের সময় ট্রাক্টরের চাপায় পৃষ্ট হয়ে ৭০ বছরের এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছে। আজ শুক্রবার (৩১ মার্চ) দুপুরে এ ঘটনা ঘটেছে।
এলাকাবাসি জানায়, গোড়াই, হাটুভাঙ্গা ও সৈয়দপুর এলাকার শ্রমিক নামধারী একটি প্রভাবশালী মহল সরকারী দল ও পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে সৈয়দপুর তেঁতুলতলা নামক স্থানে রাস্তায় বেড়িকেট দিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে যানবাহন থামিয়ে অবৈধ ভাবে লাখ লাখ টাকা চাঁদা উত্তোলন করে আসছে। আজ শুক্রবার দুপুর বারটার দিকে চাঁদাবাজ লাটিয়াল বাহিনী চাঁদা নেওয়ার জন্য ঐ ট্রাক্টরকে গতিরোধ করে। চাঁদা দেওয়া থেকে বাঁচতে ট্রাক্টরটির চালক দ্রুত গতিতে রাস্তার পাশ দিয়ে যাওয়ার চেষ্ট্রা করলে এক বৃদ্ধ চাপা পড়েন। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। ট্রাক্টর ফেলে চালক পালিয়ে যায়। পুলিশ খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করেছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিহত বৃদ্ধার কোন পরিচয় মিলেনি। ঘটনার পর থেকেই অবৈধ ভাবে চাঁদা উত্তোলনকারী সেই লাটিয়াল বাহিনী পলাতক রয়েছে।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার উপ পরিদর্শক মো. মজিবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ঘটনাস্থল থেকে ট্রাক্টরটি জব্দ এবং বৃদ্ধোর লাশ উদ্দার করা হয়েছে। থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। কেউ গ্রেফতার হয়নি।

মির্জাপুরে মেয়ের জামাইয়ের বাড়িতে শ^শুরকে পিটিয়ে হত্যা, ঘাতকরা পলাতক

মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
মেয়ের জামাইয়ের বাড়িতে শ^শুরকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ শুক্রবার (৩১ মার্চ) সকালে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ভাওড়া ইউনিয়নের সরিষাদাইর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। হত্যার শিকার মো. হাসু মিয়া (৬০) এর পিতার নাম মোকছেদ আলী বেপারি। গ্রামের বাড়ি মির্জাপুর পৌরসভার পুষ্টকামুরি মধ্যপাড়া গ্রামে। ঘটনার পর থেকেই হত্যাকারীরা পলাতক রয়েছে।
হাসু মিয়ার মেয়ে রুবিনা আক্তার জানায়, তার স্বামী জুয়েল মিয়া দীর্ঘ দিন ধরে প্রবাসে থাকেন। তার অভিযোগ, স্বামী বাড়িতে না থাকার সুযোগে শ^শুর বাড়ির লোকজন তাকে নানা ভাবে পাশবিক নির্যাতন করে জমি দখলের জন্য জন্য বাড়ির মাঝখানে বেড়া দিয়েছে। এই ঘটনা রুবিনা তার পিতা হাসু মিয়াকে জানালে ঘটনার মিমাংশার জন্য আজ শুক্রবার সকাল আটটার দিকে তিনি সরিষাদাইর গ্রামে মেয়ের বাড়িতে যান। হাসু মিয়া হাওয়ার খবর পেয়ে মেয়ের শ^শুর বাড়ির লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে আমির হামজার নেতৃত্বে সজল, নিলুফা, শান্তা ও লাইলীসহ ৭-৮ জন মিলে লাঠিসোঠা দিয়ে হাসু মিয়া ও তার কন্যা রুবিনার উপর হামলা চালা চালায়। হামলায় রুবিনা ও তার বাবা গুরুতর আহত হন বলে অভিযোগ করেন। আশংকা জনক অবস্থায় হাসু মিয়াকে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসকগন তাকে মৃত ঘোষনা করেন। হাসপাতালে হাসু মিয়া মারা যাওয়ার খবর পেয়ে হত্যাকারীরা পালিয়ে যায় বলে এলাকার লোকজন জানিয়েছেন।
এদিকে মির্জাপুর থানার এসআই মো. মজিবর রহমান এবং ওসি (তদন্ত) মো. গিয়াস উদ্দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ ব্যাপারে থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে। কেউ গ্রেফতার হয়নি।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ আবু সারেহ মাসুদ করিম বলেন, ঘটনার পর পুলিশের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত অভিযোগ হয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।