মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
ঢাকার উত্তরায় দিয়াবড়িতে মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ৮ম শ্রেণীর ছাত্র তানবীর আহমেদ (১৪) গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে চলছে শোকের মাতম। স্বপ্ন পুরন হলোনা পাইলট হওয়ার। তানবীর আহমেদের পিতার নাম রুবেল মিয়া এবং মাতার নাম লিপি বেগম। গ্রামের বাড়ি মির্জাপুর উপজেলার ওয়ার্শি ইউনিয়নের নগরভাতগ্রাম গ্রামে। পুত্র শোকে ঢাকার বাসায় বার বার মুর্ছা যাচ্ছেন বাবা-মা। গ্রামে পুরো বাড়ি জুড়ে বইছে শোকের মাতম। আশপামের শতশত লোকজন ভিড় করছে বাড়িতে।
নিহত তানবীরের চাচাতো ভাই সজিব জানায়, তার চাচা রুবেল মিয়া ও চাচী লিপি বেগম সন্তানকে ভাল লেখাপড়া ও সু-শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলার জন্য মাইলস্টোন কলেজে ভর্তি করেছিলেন। তার চাচা ঢাকায় ব্যবসা করেন। তানবীরের ছোট ভাই তাসবীর চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ে। সজিব জানায় তানবীরের স্বপ্ন ছিল পাইলট হওয়ার। সে লক্ষ্য নিয়েই সে প্রচুর লেখাপড়া করতো। ছটিতে যখন গ্রামে আসতো তখনও পড়াশোনায় ব্যস্ত থাকতো। আজ সোমবার বিমান দুর্ঘটনায় তানবীরের মৃত্যুর খবর গ্রামে ছড়িয়ে পরলে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের সৃষ্টি হয়। তার স্বজনদের কান্নায় চারপাশের বাতাস ভারি হয়ে আসছে। আগামীকাল মঙ্গলবার তানবীরের মরদেহ গ্রামরে বাড়িতে আসবে। সেখানেই নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
এদিকে মেধাবী এই ছাত্রের মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির শিশু বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ্টুপজেলা পরিষদের প্রশাসক এ বি এম আরিফুর ইসরাম, এসিল্যান্ড ও পৌরসভার প্রশাসক মাসুদুর রহমান, মির্জাপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জুলফিকার হায়, মির্জাপুর থানার াফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ রাসেদুল ইসলাম এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাবির মহসীন হলেল সাবেক জিএস মো. সাইদুর রহমান সাইদ সোহরাব।
অপর দিকে একই বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে সখীপুর উপজেলার হতেয়া কেরানীপাড়া গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের শিশু কন্যা তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী মেহেনাজ আক্তার হুমাইরা। তার পিতা মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক। তার মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পরলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।







