মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে গোড়াই পালপাড়া এলাকায় স্বামীকে জিম্মি ও অপহরণের নাটক সাজিয়ে চার লাখ টাকা চাঁদা দাবির ঘটনায় স্ত্রীসহ ৬ চাঁদা বাজকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অপহরণের পর জিম্মি অবস্থায় গোড়াই পালপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ স্বামী রহিম মিয়াকে উদ্ধার করেছে। গ্রেফতারের পর আজ শনিবার (২ আগস্ট) স্ত্রীসহ এই ৬ চাঁদাবাজকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গ্রেফতারকৃত চাঁদাবাজরা হচ্ছে গোড়াই ইউনিয়নের মীর দেওহাটা গ্রামের হাসান মোল্লা, ইমরান হোসেন, জহিরুর ইসলাম, কোদালিয়া গ্রামের মো. রানা, বহুরিয়া গ্রামের আরিফ এবং কালিয়াকৈর উপজেলার তালচানা গ্রামের আকলিমা বেগম। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চক্রের অপর সদস্য রাকিব হোসেন পালিয়ে যায়।
আজ শনিবার মির্জাপুর থানা পুলিশ ও এলাকাবাসি জানায়, অপহরণের শিকার রহিম মিয়া ও আকলিমা বেগম গোড়াই এলাকায় ইটভাটা শ্রমিকের কাজ করতেন। ইটভাটায় কাজের সুবাধে তাদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। একপর্যায়ে তারা বিয়েও করেন। অফসিজন ও বৃষ্টির কারনে ইটভাটার কাজ বন্ধ থাকায় রহিম মিয়া তার নিজ এলাকায় চলে যায়। সেখানে তার স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। গত ৮-৯ মাস রহিম মিয়া আকলিমার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ রাখে। আকলিমা বেগম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মোবাইলে তার খোঁজ পেয়ে রহিম মিয়াকে নানা প্রলোভনে মির্জাপুরে আসতে বলেন। রহিম মিয়া ফোন পেয়ে গতকাল শুক্রবার (০১ আগস্ট) মির্জাপুরে আকলিমার ভাড়া বাসায় আসার পর পরই পুর্ব পরিকল্পিত ভাবে তাকে জিম্মি ও অপহরণ নাটক সাজিয়ে চার লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে। জিম্মি রহিম মিয়া কৌশলে ৯৯৯ এ ফোন করে জিম্মির বিষয়টি পুলিশকে জানায়। পুলিশ তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অপহরনকারীদের গ্রেফতার এবং তাদের দেওয়া তথ্যে জিম্মি অবস্থায় রহিম মিয়াকে উদ্ধার করে।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ রাসেদুল ইসরাম বলেন, ৯৯৯ এ ফোন পেয়ে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অপহরণারী ও চাঁদাবাজদের গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার পর তাদরে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।







