মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে হঠাৎ তীব্র নদী ভাঙ্গনে বিভিন্ন স্থাপনা বিলিন হচ্ছে। নদী ভাঙ্গনে দিশেহারা কয়েক শতাধিক পরিবার প্রবল বর্ষনে খোলা আকামেল নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। ফসলি জমি, ঘরবাড়ি, গাছপালা, হাট বাজার, মসজিদ-মন্দির ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থাপনা হুমকির মুখে পরেড়েছে। ভাঙ্গন কবলিত এলাকার ক্ষতিগ্রস্থ্য অসহায় পরিবারগুলো মানবেতর জীবন যাপন করছে। ভাঙ্গন প্রতিরোধের জন্য টাঙ্গাইল পানি উন্নয়নের বোর্ডের সহায়তায় মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসন বিভিন্ন পয়েন্টে জিও ব্যাগ ফেলছেন এবং ক্ষতিগ্রস্থ্য পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করছেন বরে উপজেরা নির্বাহী অফিসার এ বি এম আরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন।
আজ রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) নদী ভাঙ্গন কবলিত অসহায় পরিবার অভিযোগ করেন, গত কয়েক দিনের ব্যবধানে বংশাই নদীর তীরবর্তী বানকাটা, ঋষিপাড়া, সুতানরী, হাট ফতেপুর, থলপাড়া, হিলড়া আদাবাড়ি, পারদিঘী, চাকলেশ^র, বৈলানপুর, গোড়াইল, গাড়াইলসহ বিভিন্ন এলাকায় ফসলি জমি, ঘরবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ-মন্দির, হাট বাজার ও রাস্তাঘাট ব্যাপক ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। নদী ভাঙ্গনে হাট ফতেপুর উচ্চ বিদ্যালয়, মাদ্রাসা, মসজিদ. হাট ফতেপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদ, স্বাস্থ্য উপকেন্দ্র, ইউনিয়ন ভুমি অফিস, মির্জাপুর-বাসাইল রাস্তা, ফতেপুর-মহেড়া-মির্জাপুর রাস্তাসহ একাধিক প্রতিষ্ঠান এবং হাট ফতেপুর হাট ও বাজার বিলিন হওয়ার পথে। মির্জাপুর পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ড গাড়াইল ও পুষ্টকামুরী পুর্বপাড়া, ৫ নং ওয়ার্ডের কুমারজানি ও বাওয়ার কুমারজানি হুমকির মুখে পরেছে। অপর দিকে লৌহজং নদীর মাঝালিয়া, গুনটিয়া, চুকুরিয়া, উফুলকী, বরাটী হাট ও বাজার, বরাটী নরদানা বাংলাদে উচ্চ বিদ্যালয় এলাকা, ভাতগ্রাম ও বহুরিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় হঠাৎ করে ব্যাপক ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ভাঙ্গন কবলিত এলাকার অসহায় পরিবারগুলো দিশেহারা হয়ে পরেছে। বিশেষ করে ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র ও গবাদী পশু নিয়ে পরেছে বিপাকে। নদী ভাঙ্গন থেকে রক্ষা ও ব্লক দিয়ে স্থায়ী বাঁধ নির্মানসহ ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় স্থায়ী বাঁধ নির্মানের জোর দাবী জানিয়েছেন অসহায় পরিবারগুলো।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ বি এম আরিফুল ইসলাম বলেন, জেলা প্রশাসক শরীফা হক স্যারের নির্দেশনায় টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহায়তায় বিভিন্ন পয়েন্টে জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে এবং ক্ষতিগ্রস্থ্য পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।







