মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মহেড়া পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে (পিটিসিতে) ফায়ারিং প্রশিক্ষণ চলাকালে মাসুম নামে শিক্ষানবিশ কনস্টেবল গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আজ সোমবার সকালের এ ঘটনা ঘটে। ফায়ারিং চলাকালে দুর্ঘটনাবসত গুলিটি তার বুকে লাগে বলে পুলিশ জানিয়েছে। তার অবস্থা আশংকা জনক। এ ব্যাপারে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর মহেড়া পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার কতৃপক্ষ বাদী হয়ে মির্জাপুর থানায় সাধারণ ডায়রী করেছেন।
মির্জাপুরে মহেড়া পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে প্রশিক্ষণরত পুলিশ সদস্যরা জানায় গুলিবিদ্ধ মাসুম মিয়ার বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার মধ্যনগর থানার রংচির এলাকা। তার পিতার নাম বকুল মিয়া। জানা যায়, পুলিশ সদস্য কনস্টেবল মাসুম মিয়ার ( টি আর সি নং-২৬৫২২০৪)। আজ সোমবার সকালে প্রশিক্ষণরত অবস্থায় অন্য একজন কনস্টেবলের রাইফেলের গুলি মিস ফায়ার হয়ে মাসুমের পিঠে লাগে। গুলি লাগার পর সে মাটিতে লুটিয়ে পরে। ঘটনার পরপরই অন্য পুলিশ সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে গুরুতর অবস্থায় টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকগন তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।
এদিকে চিকিৎসকদের পরামর্শে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সযোগে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতারে নেওয়া হয়। এ বিষয়ে পুলিশ জানিয়েছে ক্রুটি থাকার কারনে অস্্ের গুলি ভরার সময় ফায়ার হয়ে এই ঘটনা ঘটে। ফায়ারিং প্রশিক্ষণ চলাকালিন দুর্ঘটনাবসত ভাবে তার বুকে গুলি লাগে।
ইন্সফেক্টর (নিরস্ত্র) আল আমীন জানিয়েছেন ফায়ারিংয়ের সময় দুর্ঘটনাবসত গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটে। পুলিশ বাহিনীর পক্ষ থেকে তাকে চিকিৎসার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কনস্টবল মাসুমকে প্রথমে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সযোগে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভতির সফল ভাবে অস্্র পাচার করা হয়েছে। বর্তমানে সে আশংকামুক্ত বলে হাসপাতালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার ওসি (তদন্ত) মো. রাসেল আহমেদ এবং ডিউটি অফিসার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, টাঙ্গাইলের মহেড়া পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে এক কনস্টেবল গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার কতৃপক্ষ সন্ধ্যায় একটি সাধারণ ডায়রী করেছেন।







