মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের আঞ্চলিক রোড মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই থেকে রাকের টেকি পর্যন্ত সড়করে নির্মান কাজের ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির াবিযোগ উঠেছে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে রাস্তা নির্মানের এক দিনের মাথায় হাত দিলেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসি অভিযোগ দিলে উপজেলা প্রকৌশলী মো. মনিরুল সাজ রিজন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে রাস্তা নির্মানের কাজে অনিয়ম পেয়ে সংশ্লিষ্ট বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াসহ ঠিকাদেরর বিল আটকে দিয়েছেন। আজ বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মির্জাপুর উপজেলা প্রকৌশলী মো. মনিরুল সাজ রিজন।
উপজেলা প্রকৌশল অফিস সুত্র জানায়, গোড়াই থেকে রাকের টেকি পর্যন্ত ৪৬০ মিটার সড়ক পুর্ন নির্মান কাজের জন্যব্যয় ধরা হয় ১৫ লাখ টাকা। নির্মানের জন্য কাজ পাঠ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজ। এলাকাবাসির অভিযোগ রাতের আঁধারে ও প্রবল বৃষ্টির মধ্যেও ঠিকাদার অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে রাতারাতি রাস্তার পুর্ন নির্মান করেন। তরিঘরি করে কাজ করায় নির্মানের এক দিনের মধ্যে হাত দিলেই উঠে যাচ্ছে পুরো রাস্তার কার্পের্টি। এছাড়া পায়ে হেলে চললে ¦েং ছোট বড় যানবাহন চলাচল করলেও উঠে যাচ্ছে কার্পের্টি। এতে করে নতুন সড়কসহ আশপামের রাস্তাও ক্ষতিগ্রস্থ্য হচ্ছে।
এদিকে এলাকাবাসির অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সত্যতা পান। পরে অনিয়মের অভিযোগে উপসহকারী প্রকৌশলী ও কার্যসহকারীকে শোকজ করা হয়েছে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াসহ বিল আটকে দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে ঠিকাদার মো. তারেক খান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, নিয়ম মাফিক আমি কাজ করার চেষ্টা করেছি। গত কয়েক দিন ধরে প্রবল বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারনে রাস্তার বিভিন্ন াংশে ক্ষতিগ্রস্থ্য হয়েছে। আমার প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে রাস্তাটির দ্রুত সংস্কার করে দেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী মো. মনিরুল সাজ রিজন বলেন, রাস্তাটির নির্মান কাজের অনিয়মের অভিযোগে উপসহকারী প্রকৌশলী ও কার্যসহকারীকে শোকজ করা হয়েছে। এছাড়া মেসার্স বিলমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজের মালিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াসহ বিল আটকে দেওয়া হয়েছে। পুরো রাস্তা মেরামত না করা হলে কোন অবস্থায় বিল দেওয়া হবে না।







