মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে নদী-নালা, খাল-বিল ও হাওড়-বাওড়ে বর্ষা মৌসুমে মা মাছ এবং রেণু পোনা রক্ষায় উপজেলা প্রশাসন ও মৎস অধিদপ্তর বিভিন্ন এলাকায় মোবাইল কোট পরিচালনা করেছেন। মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সময় চায়না দোয়ারী জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। আজ সোমবার (১৮ আগস্ট) উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ বি এম আরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিম্চিত করেন।
উপজেলা নির্বাহী অফসারের কার্যালয় এবং সিনিয়র মৎস অফিসারের কার্যালয় জানান, বর্ষা মৌসুম শুরু হলেই মির্জাপুর পৌরসভার আশাপাশ এবং উপজেলার গোড়াই, আজাগানা, তরফপুর, লতিফপুর, বাঁশতৈল, ফতেপুর, মহেড়া, জামুর্কি, ভাতগ্রাম, বহুরিয়া, ভাওড়া, ওয়াশি, বানাইল এবং আনাইতারা ইউনিয়নের বিভিন্ন নদী, খাল-বিল ও হাওড়-বাওড়ে ক্যারেন্ট জাল, চায়না দুয়ারী জাল ও বাঁশের ছাই ফেলে মা মাছ এবং মাছের রেণু পোনা শিকার করে বিভিন্ন হাট বাজারে বিক্রি করছে। ফলে মাছের উৎপাদন দিন দিন কমে যাচ্ছে।
এদিকে এলাকাবাসির অভিযোগের পেক্ষিতে আজ উপজেলার ভাওড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এরাকায় চায়না দোয়ারি জাল নিধনে অভিযানে যান। অভিযানের সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা পরিষদের প্রশাসক এক্্িরকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট এ বি এম আরিফুল ইসলাম, সিনিয়র মৎস অফিসার ছারহা নাহিন, ভাওড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মাসুদুর রহমান মাসুদসহ আনসার ও গ্রাম পুলিশ বাহিনীর সদস্যগন উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে ওয়ার্শি ইউনিয়ন এবং গোড়াই ইউনিয়নের কয়েকটি এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বিপুল পরিমান চায়না দুয়ারী জাল ও বাঁশের চাই উদ্ধার করে পুড়িয়ে ধ্বংস করে দেওয়া হয়।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা পরিষদের প্রশাসক এক্্িরকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট এ বি এম আরিফুল ইসলাম এবং সিনিয়র মৎস অফিসার ছারহা নাহিন বলেন, নদী নালা, খাল-বিল ও হাওড়-বাওড়ে জলজ সম্পদ রক্ষা ও মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে ক্যারেন্ট জাল, চায়না দুয়ারী জাল ও বাঁশের ছাই জব্দসহ মৎস আইন প্রয়োগ করে এগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হবে। তাদের এ মোবাইল কোর্ট অভিযান চলমান থাকবে।







