মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে তিন কন্যা সন্তানের জননী গোলাপী বেগম (৩৫) খুন হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গোলাপী বেগম নিখোঁজের তিন পর আজ রবিবার (২৬ অক্টোবর) মির্জাপুর থানার ৩০০ গজ দুরে ও মির্জাপুর শহীদ ভবানী প্রসাদ সাহা সরকারী কলেজের পুর্ব পাশের বারই খাল থেকে গোলাপী বেগমের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গোলাপী বেগমের স্বামীর নাম মো. আব্দুল কাদের। গ্রামের বাড়ি মির্জাপুর পৌরসভার পুষ্টকামুরী গ্রামে। খুনের রহস্য উৎঘাটন করতে পারেনি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যগন।
আজ রবিবার গোলাপী বেগমের মা সমলা বেগম জানান, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর গোলামী বেগম তিন কন্যা সন্তান রেখে বাড়ি থেকে হঠাৎ নিখোঁজ হয়। নিখোঁজের পর থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যায়। আত্বীয়-স্বজনসহ বিভিণœ স্থানে খোঁজাখুঁজির পর গোলাপী বেগমের কোন সন্ধান না পাওয়ায় তার বাবা মো. বিষা মিয়া মির্জাপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়রী করেন। তিনি আরও অভিযৈাগ করেন, গোলাপীর পিতার সঙ্গে আশপামেল কয়েকজন লোকের মধ্যে প্রায় দেড় কোটি টাকা নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরে ঝামেলা চলছিল। খুনের এটিও একটি কারন হতে পারে বরে তাদের ধারনা। গোলাপীর বড় কন্যা কহনা (১৪) বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধি, মেজো মেয়ে কাফিয়া (৫) ও ছোট মেয়ে কাশফিয়া ৫ মাস। মা খুন হওয়ায় তিন কন্যা সন্তান নিয়ে চরম বিপাকে পরেছেন আব্দুল কাদের।
এদিকে আজ রবিবার স্থানীয় লোকজন বারই খালে পানির মধ্যে একটি লাশ ভাসতে দেখে মির্জাপুর থানা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ পা বাঁধা ও শরীরের ক্ষত বিক্ষত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে। গোলাপীর বেগমের স্বামী আব্দুল কাদের ও মাতা সমলা বেগমসহ তার পরিবারের দাবী বাবার সঙ্গে স্থানয়ি কিছু লোকর বিপুল অংকের টাকার লেনদেন নিয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে তাকে অপহরণ করে পাশবিক নির্যাতনের পর নির্মম ভাবে খুন করা হয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তসহ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম বলেন, ধারনা করা হচ্ছে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যা কান্ড। খুনের রহস্য উদঘাটনের জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যগন কাজ করছে। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ময়না তদন্তের পর লাশ পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। থানায় মামলা হয়েছে।







