মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
সাবেক এমপি ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির শিশু বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী ত্রয়োদশ মহান জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৩৫, টাঙ্গাইল-৭ মির্জাপুর নির্বাচনী এলাকায় বিএনপির ধানের শীষের মনোনয়ন পাওয়ায় উজ্জীবিত হয়ে উঠেছেন তৃণমুলের বিএনপির নেতাকর্মীরা। আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীর মনোনয়ন চুড়ান্ত হওয়ার পর থেকেই বিএনপি ও এর সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা তাকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিটি এলাকায় চষে বেড়াচ্ছেন ভোটার বাড়ি বাড়ি। আজ শনিবার উপজেলার বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্রই পাওয়া গেছে।
উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এডভোকেট আব্দুর রউফ মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক খন্দকার সালাউদ্দিন আরিফসহ একাধিক নেতা বলেন, আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীর এলাকায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। তৃণমুলের নেতাকর্মীরা তার অনুগত। তিনি ৬ষ্ঠ এবং ৭ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই বাবের সংসদ সদস্য। এছাড়া বিএনপির দুঃসময়ে ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি প্রায় ৮৭ হাজার ভোট পেয়ে সারা দেশে বিএনপির প্রার্থীদের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান লাভ করেছিলেন। বিগত সময়ে বিএনপির দুঃসময়ে আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী নেতাকর্মীদের পাশে থেকে দলকে টিকিয়ে রেখেছেন। অনেক অত্যাচার নির্যাতন, তার বাড়ি ঘরে হামলা ও মামলার শিকার হয়ে জেল খেটেছেন। তারপরও তিনি বিএনপি থেকে সরে যাননি এবং দলের কোন নেতাকর্মীদের দুরে সরিয়ে দেননি। সব সময় তিনি দলের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি এলাকার সাধারণ মানুষের পাশে থেকে কাজ করেছেন। এয়োদশ মহান জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি সঠিক নেতাকে মুল্যায়ন করেছেন। টাঙ্গাইল-৭ মির্জাপুর নির্বাচনী এলাকার বিএনপির তৃণমুলের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষও উজ্জীবিত। তিনি বিপুল ভোটের ব্যবধানে এমপি নির্বাচিত হবেন বলে তারা জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে সাবেক এমপি ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির শিশু বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী ত্রয়োদশ মহান জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৩৫, টাঙ্গাইল-৭ মির্জাপুর নির্বাচনী এলাকায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবদী দল বিএনপি আমাকে ধানের শীষের মনোনয়ন দিয়েছেন। এ জন্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও চেয়ারম্যান পার্সন ও সাবেক প্রধান প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ্রপতি আমি চির কৃতজ্ঞ। এলাকার সাধারণ জনগন ও ভোটার এবং তৃণমুলের বিএনপির সকল নেতাকর্মী আমার সঙ্গে কাদে কাঁদ মিলিয়ে কাজর করছেন। বিপুল ভোটের ব্যবধানে আমি নির্বাচিত হতে পারবো বলে আশা করছি। এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে আমি জনগনের পাশে ছিলাম, আছি এবং সারা জীবন থাকবো।







