মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ক্রেতার অভাবে জাতীয় পতাকা ও ব্যাজ বিক্রেতাদের দুর্দিন চলছে। ক্রেতা না পেয়ে জাতীয় পতাকা ও ব্যাজ বিক্রি করতে না পেরে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা হকাররা চরম বিপাকে পরেছেন বলে জানিয়েছেন। আজ শনিবার মির্জাপুর উপজেলা সদরের কয়েকটি রাস্তা ঘুরে দেখা গেছে, হকারগন কাঁধে লাঠিতে জাতীয়া পতাকা ও মাথার ব্যাজসহ ছোট ছোট পতাকা নিয়ে মোড়ে মোড়ে দাড়িয়ে রয়েছেন। কিন্তু মিলছে না ক্রেতা।
কালিয়াকৈরের চান্দরা থেকে আসা হকার রবিউল আলম জানান, তার বাড়ি কুড়িগ্রাম। চান্দরা এলাকায় স্ত্রী পোষাক কারখানায় কাজ করেন। তিনি বাড়ি থেকে এসেছেন জাতীয় পতাকা ও মাথার ব্যাজসহ ছোট ছোট পতাকা বিক্রি করতে। প্রতি বছর বিজয় দিবসের ১৬ ডিসেম্বর গাজীপুর, সাভার, কোনাবাড়ি, চান্দরা, চৌরাস্তা এবং মির্জাপুর শহরে আসেন। এ বছর বাজার খুবই মন্দা। বেচা বিক্রি নেই বললেই চলে। জাতীয় পতাকা ও মাথার ব্যাজসহ ছোট ছোট পতাকা তৈরী করতে খরচ হয় তিন থেকে চার হাজার টাকা। সারা দিনের তার মজুরী আছে ৬০০শ-৭০০শ টাকা। এ বছর গড়ে প্রতি দিন বিক্রি হচ্ছে ৫০০শ থেকে ৬০০শ টাকা। লাভ তো দুরের কথা খরচও উঠছে না। কেন ক্রেতা পাচ্ছেন না এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ১৬ ডিসেম্বর উপলক্ষে জাতীয় পতাকা ও মাথার ব্যাজসহ ছোট ছোট পতাকা কিনতে ক্রেতাদের আগ্রহ কম। আগে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা এগুলো বেশী কিনতো। এ বছর স্কুল কলেজ বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া দেশের অবস্থাও দিন দিন খারাপের দিকে যাচ্ছে। তাই রাস্তাঘাটে ক্রেতার অভাব। রবিউলের মত অন্তত ১০-১২ জন হকার একই কথা বলেন।







