মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে চাঞ্চল্যকর গৃহবধু তিন সন্তানের জননী গোলপী হত্যার অন্যতম খুনি পালিয়ে থাকা হবু মিয়াকে র্যাব-১৪ তিন মাস পর গ্রেফতার করেছে। আজ রবিবার র্যাব-১৪ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। হবু মিয়ার বাড়ি নাগরপুর উপজেলার রাথুরা নতুন বাজার এলাকায়। এর আগে গোলাপী খুনের সন্দেহভাজন প্রধান আসামী তার স্বামী আব্দুল কাদের মিয়া গ্রেফতার করে পুলিশ। গোলাপীর তিন কন্যা প্রতিবন্ধি কহনা (১৪), মেজো মেয়ে কাফিয়া (৫) ও ছোট মেয়ে কাশফিয়া (৫ মাসকে) নিয়ে চরম বিপাকে পরেছেন নানা বিষু মিয়া এবং নানী সমলা বেগম।
আজ রবিবার মির্জাপুর থানা পুলিশ সুত্র জানায়, টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলা সদরের পৌরসভার বাওয়ারকুমারজানি রোডে গোলাপীর বাবার বাড়ি। গত ২৩ অক্টোবর গোলাপী বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় এবং ২৬ অক্টোবর মির্জাপুর থানার ৩০০ গজ দুরে মির্জাপুর শহীদ ভবানী প্রসাদ সাহা সরকারী কলেজের পুর্ব পাশের বারই খাল থেকে গোলাপী বেগমের লাশ উদ্ধার হয়। গোলাপী খুনের সন্দেহভাজন প্রধান আসামী ঘাতক আব্দুল কাদেরকে গ্রেফতারের পর গত (৯ নভেম্বর) জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। ঘাতক আব্দুল কাদেরের গ্রামের বাড়ি মির্জাপুর পৌরসভার পুষ্টকামুরী গ্রামে। আজ রবিবার মামলার তদন্তকারী অফিসার উপপরিদর্শক সানাউল ইসলাম জানিয়েছেন আব্দুল কাদেরকে গ্রেফতারের পর থেকেই র্যাবের হাতে গ্রেফতার হবু মিয়া আত্নাগোপনে চলে যায়। তাকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশসহ র্যাব মাঠে নামেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল শনিবার র্যাব-১৪ নাগরপুর উপজেলার রাথুরা নতুন বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে আজ রবিবার তাকে আদালতে পাঠানো হলে বিচারক তাকে জেল হাজতে পাঠানো নির্দেশ দেন।
এদিকে গোলাপীর বাবা বিষু মিয়া ও মা সমলা বেগম শুরু থেকেই অভিযোগ করে আসছিলেন, তাদের মেয়ে গোলাপী খুনের সন্দেহের তীর তার স্বামী আব্দুল কাদের ও টমটম চালক হবু মিয়ার দিকে। তিন কন্যা কহনা (১৪) বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধি, কাফিয়া (৫) ও কাশফিয়া (৫ মাস) কে নিয়ে চরম বিপাকে পরেছেনর নানা বিষু মিয়া ও নাানী সমলা বেগম বলে জানিয়েছেন। বিষু মিয়া ও তার স্ত্রী সমলা বেগম ঘাতকদের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো, আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, গোলাপী খুনের ঘটনায় ইতিপুর্বে তার স্বামী আব্দুল কাদেরকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়। গতকাল রবিবার র্যা-১৪ একটি দল অন্যতম খুনি হবু মিয়াকে গ্রেফতার করে পুলিশে সোপর্দ করেন। তাকে আজ রবিবার জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।







