মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
হাফিজা নামে আট বছরের শিশু কন্যাকে অপহরণ ও ধর্ষণের পর নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শিশুকে অপহরণ ও ধর্ষণকারী মুলহোতা বখাটে সাজিদ (১৯) কে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। সাজিদের পিতার নাম জালাল মিয়া। গ্রামের বাড়ি বাইমাইল গ্রামে। শিশুটির পিতার নাম মো. সেলিম মিয়া। সে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিল। অপহরণের ৬ দিন পর আজ শুক্রবার হাত-পা বাঁধা অবস্থায় শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শিশুটির অপহরণ ও ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনাটি এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ১০ নম্বর গোড়াই ইউনিয়নের কদিম দেওহাটা গ্রামে এ অমানবিক ঘটনাটি ঘটেছে।
আজ শুক্রবার গোড়াই ইউনিয়ন পরিষদের ওয়ার্ড মেম্বার মো. মজিবর রহমান জানান, হাফিজার পিতা সেলিম মিয়া কদিম দেওহাটা গ্রামের মোয়াজ্জেম আলীর বাড়িতে ভাড়া থেকে পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন। গত ৭ ফেব্রুয়ারি শিশুটি অপহরণ হয়। গত ১০ ফেব্রুয়ারি তার পিতা সেলিম মিয়া বখাটে সাজিদ ও তার সহযোগিদের নামে মির্জাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের পর থানা পুলিশ বখাটে সাজিদকে গ্রেফতার করে। তার দেওয়া তথ্যমতে আজ শুক্রবার কদিম দেওহাটা গ্রামের এক ডোবা থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়। শিশুটির পিতা সেলিম মিয়া অভিযৈাগ করেন, বখাটে সাজিদ ও তার সহযোগিরা আমার ফুটঠফুটে শিশু কন্যাকে অপহরণ ও ধর্ষণের পর নির্মম ভাবে হত্যা করে লাশ গুম করে রাখে। আমারা ধর্ষণকারী ঘাতক ও বখাটে সাজিদকে ফাঁসির দাবী জানাই। এছাড়া তার সঙ্গে যারা জড়িত তাদরে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি। এলাকার লোকজনও ঘাতকদের দৃষ্টান্ত মুরখ শাস্তির দাবী জানিয়েছে।
গোড়াই ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. কামরুজ্জামান বলেন, একটি শিশুকে যে ভাবে অপহরণ ও ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে এটা খুবই অমানবিক। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের তিনি দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবী করেন।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানা ও দেওহাটা পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক মো. নুর নবীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, গত ৭ ফেব্রুয়ারি শিশুটি নিখোঁজ হয়। তার পিতা গত ১০ ফেব্রুয়ারি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। মামলার পর ঘাতক সাজিদকে গ্রেফতার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যমতে আজ শুক্রবার শিশুটির হাত-পা বাঁধা অবস্থায় লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশ ময়না তদন্তসহ ধর্ষণের বিভিন্ন পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। অপর আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।







