মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
মির্জাপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে যানজটে স্থবির হয়ে পরেছে। বিকেল পাঁচটার পর থেকেই এই মহাসড়কের গাজীপুরের কালিয়ােৈকর চন্দ্র থেকে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার জামুর্কি পর্যন্ত ভয়াবহ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। নাটিয়াপাড়া থেকে টাঙ্গাইল পাইপাস পর্যন্ত রাস্তা একটু ফাঁকা থাকলেও এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতুর পুবর্ প্রাপ্ত টোলপ্লাজা পর্যন্ত তীব্র যানজট। রাত যতই গভীর হচ্ছে যানজট আরও তীব্র হচ্ছে বলে যাত্রী ও পুলিশ সুত্রে জানা গেছে। তীব্র যানজটের ফরে ঈদে বাড়ি ফেরা নারী পুরুষ ও শিশুদের দুর্ভোগের সীমা নেই বরে জানিয়েছেন।
আজ শনিবার রাত নয়টার দিকে মহাসড়কের গোড়াই এলাকায় খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে ভয়াবহ যানজট। গোড়াই অভার ব্রিজের উপর থেকে মির্জাপুর ও কালিয়াকৈরের চন্দ্র পর্যন্ত যানজট। যাত্রীরা জানান চন্দ্র থেকে যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। যানবাহনের চাপ তিন থেকে চারগুন বেড়ে যাওয়ার ফলে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। উত্তরাঞ্চল থেকে রাজধানী ঢাকায় ফেরার জন্য দুরপাল্লার যানবাহন বিকল্প হিসেবে মির্জাপুর-ওয়ার্শি-বালিয়া ও টাঙ্গাইল-দেলদুয়ার-সাটুরিয়া হয়ে যাতায়াত করছে। রাতে এ রিপোর্ট পাঠানো পর্যন্ত এ মহাসড়কে যানজট রয়েছে।
্টে ব্যাপারে গোগড়াই হাইওয়ে থানার ওসি মো. মাসুদ খান বলেন, টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর, জেলা প্রশাসক শরীফা হক এবং হাউয়ে পুলিশের ডিআইজি, পুলিশ সুপারসহ উর্ধ্বতন কর্তপক্ষের নির্দেশে সহস্রাধিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যগন যানজট নিরসনের জন্য দিন রাত নিরলস ভাবে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে কাজ করে যাচ্ছেন। রয়েছে স্টাইকিং ফোর্স ও মোবাইল পার্টি। আজ শনিবার শিল্পকারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় যাত্রী সংখ্যা বেড়েছে। ফলে এই মহাসড়কে যানবাহনের চাপও ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। আগামীকাল রবিবার এ মহাসড়কে যানজট আর থাকবে না বলে উল্লেখ করেন।







