মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কুমুদিনী হাসপাতালে আখি মন্ডল নামে এক গৃহবধু এক সঙ্গে চার সন্তান প্রসব করেছেন। কুমুদিনী হাসপাতালের মা ও প্রসুতি বিভাগের (গাইনী বিভাগের) সার্জন ডা. মেহেরুন নেছা মায়া অস্্রপাচারের মাধ্যমে তিনটি জীবিত এবং একটি মৃত সন্তান প্রসব করান। চার সন্তানের মধ্যে দুইটি পুত্র ও দুইটি কন্যা। এক পুত্র গর্ভে মারা যায়। গতকাল রবিবার (৬ এপ্রিল) এ অস্্রপাচার করা হয় বলে আজ সোমবার হাসপাতালের চিকিৎসকগন জানিয়েছেন। গৃহবধুর নাম আখি মন্ডল। তার স্বামীর নাম রতি মন্ডল সরকার। গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলার বাসাইল উপজেলার কাঞ্চনপুর গ্রামে। আখি মন্ডরের পরিবার স্বচ্ছল না হওয়ায় তিন নবজাতক নিয়ে চরম বিপাকে পরেছেন বলে জানিয়েছেন।
আজ সোমবার আখি মন্ডরেল পরিবার ও হাসপাতাল সুত্র জানায়, গত ১৫ বছর পুর্বে আখি মন্ডল ও রতি মন্ডলের সঙ্গে বিয়ে হয়। বিয়ের এক বছর পর তাদের এক পুত্র সন্তান হলেও চার দিন পর মারা যায়। পরের বছর আবারও এক কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। দীর্ঘ দিন আর সন্তান না হওয়ায় আখি মন্ডল চিকিৎসকদের পরামর্শসহ ঔষধ খেয়ে আসছিলেন। এর মধ্যে আখি মন্ডল সন্তান ধারন করবেন বলে বুঝতে পারেন। আস্তে আস্তে আট মাসের অন্তসত্তা হয়ে পরে। গত কয়েক দিন পুর্বে প্রসব ব্যাথা নিয়ে আখি মন্ডল কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি হন। গতকাল রবিবার অস্্রপাচার করে চার সন্তান হয়।
কুমুদিনী হাসপাতালের গাইনী বিভাগের সার্জন ডা. মেহেরুন নেছা মায়া বলেন, এক সঙ্গে চার সন্তান জন্মদান একটি বিরল ঘটনা। আখি মন্ডল চার সন্তান জন্মদান করলেও এক সন্তান গর্ভেই মারা যায়। তিন সন্তান এখন কুমুদিনী হাসপাতালের নিভির পরিচর্চা কেন্দ্রে (এনআইসিউতে) পর্যবেক্ষনে রয়েছে। হাসপাতালের পক্ষ থেকে আখি মন্ডলেল পরিবার সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, এক সঙ্গে একের অধিক সন্তান জন্মদান কার একজন মায়ের জন্য খুবই ঝুঁকিপুর্ন। এ ধরনের ঘটনা সাধারনত জেনেটিক্যাল ও অবোলেশন ইন্টাকশন ড্রাগের কারনে হতে পারে।







