বাংলা নিউজ
Monday, April 20, 2026
Home Blog Page 39

টাঙ্গাইল জেলায় একদিনে এক লক্ষ বৃক্ষ রোপন কর্মসূচী, মির্জাপুরে একদিনে রোপন করা হল ১৫ হাজার বৃক্ষ

মোঃ সাজজাত হোসেন,স্টাফ রিপোর্টার
টাঙ্গাইল জেলায় একদিনে এক লক্ষ বৃক্ষ রোপন কর্মসূচীর অংশ হিসেবে মির্জাপুরে ১৫ হাজার বৃক্ষ রোপন করা হয়েছে। শনিবার বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচীর উদ্বোধান করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য খান আহমেদ শুভ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাকিলা বিনতে মতিনের সভাপতিত্বে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচীর অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ,, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মীর এনায়োত হোসেন মন্টু, পৌর মেয়র সালমা আক্তার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুচি রানি সাহা, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মীর্জা শামীমা আক্তার শিফা, ভাইস চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলাম, মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম প্রমুখ।

টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন হায়দারের উদ্যোগে জেলা ব্যাপি একদিনে এক লক্ষ বৃক্ষ রোপন করা হয়। এরই অংশ হিসেবে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী, বেসকারি সংস্থা এবং বিভিন্ন সামজিক সংগঠনের মাধ্যমে মির্জাপুরে ১৫ হাজার বৃক্ষ রোপন করা হয়।

মির্জাপুরে রাস্তায় জন্ম নেওয়া শিশুকে দত্তক নিতে ১৫ জনের আবেদন

মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
রাস্তার পাশে জন্ম নেওয়া ফুটফুটে শিশু কন্যাকে দত্তক নিতে ১৫ জন নারী পুরুষ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক ও সমাজ সেবা বরাবর আবেদন করেছেন। সমাজ সেবা অধিপ্তর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত সোমবার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অফিস কক্ষে জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাকিলা বিনতে মতিন, এসিল্যান্ড সুচী রানী সাহা, সমাজ সেবা অফিসার মো. খাইরুল ইসলামসহ গনমাধ্যম কর্মী উপস্থিত ছিলেন। শিশুটির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য টাঙ্গাইল জেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপচালকসহ জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদনপত্রগুলো পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। আইনী নানা জটিলতার কারনে শিশুটির ভাগ্য এখনো নির্ধারিত হয়নি।
আজ বুধবার (১২ জুলাই) উপজেলঅ সমাজ সেবাধঅধিদপ্তর ও পুলিশ সুত্র জানায়, শিশুটির পিতা কে তা বলতে পারছে না তার মা। ঘটনার ৮ দিনেও তাদের পরিচয় মিলেনি। অমানবিক এই ঘটনার খবর পেয়ে মির্জাপুর থানা পুলিশ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সহযোগিতায় ফুটফুটে শিশু ও তার মায়ের চিকিৎসা চলছে কুমুদিনী হাসপাতালে। কুমুদিনী হাসপাতাল কতৃপক্ষ, চিকিৎসক ও নার্সরা পরম মমতা দিয়ে অসহায় মা ও তার শিশু কন্যাকে ঔষধপত্রসহ চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। হাসপাতাল কতৃপক্ষ এবং প্রশাসনের কর্মকর্তাগন বলেছেন মহিলাকে দেখে মনে হচ্ছে প্রতিবন্ধি মানষিক ভারসাম্যহীন। কোন কিছু ঠিকমত বলতে পারছেন না। গত বুধবার (৫ জুলাই) ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক সংলগ্ন টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলা সদরের মির্জাপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন বাইমহাটি এলাকায় মহাসড়কের পাশে শিশুটির জন্ম হয়েছে।
কুমুদিনী হাসপাতালের প্রসুতি বিভাগ এবং শিশু ওয়ার্ডের এনআইসিইউতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে মা ও শিশু কন্যার চিকিৎসা চলছে। ওয়ার্ডের নার্স ও চিকিৎসকগন জানান, গত ৫ জুলাই বেলা সারে এগারটার দিকে পুলিশ এক মহিলাকে অসুস্থ্য অবস্থায় প্রসুতি বিভাগের ২৭ নম্বর বেডে ভর্তি করে দিয়ে যান। মহিলা তার নাম ও ঠিকানা বলতে পারছেন না। কখনো বলছেন নাজমা, কখনো ঝুমুর আবার কখনো বলছেন রিজনী। ঠিকানা বলছেন কখনো ঢাকা আবার কখনো বরিশাল। আর কিছু বলতে পারছে না। পিতা মাতার নাম ও নিজের নামও বলতে পারছে না। শিশু ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা গেছে নার্সরা পরম মমতা দিয়ে শিশু কন্যাকে এনআইসিইউতে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।
কুমুদিনী জহাসপাতালে এজিএম (অপারেশন) অনিমেশ ভৌমিক লিটন বলেন, অসহায় এক মহিলা ও তার শিশু কন্যাকে পুলিশ এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে হাসপাতালে ভর্তি করে দিয়েছেন। মহিলার নাম ও কোন ঠিকানা নেই। তিনি কোন নাম ঠিকানা বলতে পারছে না। এমন কি শিশুর পিতা কে তাও বলতে পারছেন না। হাসপাতালের পক্ষ থেকে গত ৬ দিন ধরে মা ও শিশুর যাবতীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ঔষধপত্র এবং চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা মো. খাইরুল ইসলাম বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার কুমুদিনী হাসপাতালে গিয়ে মহিলার ঠিকানা এবং শিশুর বাবা কে তা জানার চেষ্টা করেছেন। মহিলা কোন কথা বলতে পারছে না এবং ঠিকানাও বলতে পারছেন না। হাসপাতাল কতৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে প্রতিবন্ধি মা ও শিশুর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিভিন্ন মাধ্যমে তাদের ঠিকানা জানার চেষ্টা চলছে। ঘটনার ৮ দিন পরও মা নবজাতক পরিবারের কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি। সমাজ সেবা অধিদপ্তর এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে আইনী ভাবে নবজাতক ও তার মায়ের ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। এদিকে ঘটনা জানাজানি হলে বিভিন্ন এলাকা থেকে নিঃসন্তান নারী পুরুষ কুমুদিনী হাসপাতালে এসে শিশু কন্যার দায়িত্ব নিতে (দত্তক) নিতে ভিড় করছেন। আজ বুধবার পর্যন্ত ১৫ জন নারী পুরুষ শিশু কন্যাকে লালন পালনের দায়িত্ব নিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর আবেদন করেছেন বলে সমাজ সেবা অফিসার খাইরুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাকিলা বিনতে মতিন বলেন, রাস্তার পাশে প্রতিবন্ধি এক মহিলা সন্তান জন্ম দিয়েছেন বলে তিনি জানতে পেরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। কুমুদিনী হাসপাতালে পরিদর্শনে গিয়ে মা ও শিশু কন্যার খোঁজ খবর নিয়েছেন। মহিলার পরিবারের ঠিকানা এবং শিশু কন্যার পিতা কে তা জানতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে। মা ও শিশু কন্যার চিকিৎসার যেন কোন সমস্যা না হয় সে জন্য হাসপাতাল কতৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ১৫ জন নারী পুরুষ শিশু কন্যার দায়িত্ব নিতে আগ্রহ প্রকাশ করে আবেদন করেছেন। আইনী ভাবে বিষয়টি দেখা হচ্ছে।
মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ আবু সালেহ মো. মাসুদ করিম বলেন, ঘটনার খবর পাওয়ার পর পুলিশ প্রশাসেনর পক্ষ থেকে মহিলা ও তার নবজাতক সন্তানকে উদ্ধার করে কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের ঠিকানা জানার চেষ্টা চলছে। তবে ১৫ জন নারী পুরুষ আজ পর্যন্ত আবেদন করেছেন শিশু কন্যা দত্তক নেওয়ার জন্য। প্রয়োজনীয় ব্যবস্তা নেবেন জেলা প্রশাসক ও জেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তর।

মির্জাপুরে উৎসব মুখর পরিবেশে জাতীয় শিশু পুরষ্কার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে উৎসব পরিবেশে জাতীয় শিশু পুরষ্কার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার (১০ জুলাই) উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা শিক্ষা আয়োজিত উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন, বাইমহাটী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, উপজেলা প্রশাসন স্কুল এন্ড কলেজ এবং মির্জাপুর এস কে পাইলট সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় এই চারটি ভ্যেনুতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের াংশ গ্রহনে ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। ইভেন্টের মধ্যে ছিল কবিতা আবৃত্তি, নৃত্য, গান, কেরাত, অভিনয়, চিত্রাংকন, ১০০ মিটার দৌড়, উচ্চ লম্ফ এবং দীর্ঘ লম্ফ।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জুলফিকার হায়দার এবং প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. শরীফ উদ্দিন জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং মাধ্যমিক এবং মাদ্রাসার শিশু এবং ছাত্র-ছাত্রীরা বিভিন্ন ইভেন্টে উৎসব মুখর পরিবেশে অংশ গ্রহণ করে। এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাকিলা বিনতে মতিন, এসিল্যান্ড সুচী রানী সাহা, কৃষি অফিসার সঞ্চয় কুমার পাল, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার প্রবীর কুমার চৌধুরী, উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকগন উপস্থিত ছিলেন।

মির্জাপুরে রাস্তায় জন্ম নেওয়া ফুটফুটে শিশুর বাবা কে বলতে পারছে না তার মা, চিকিৎসা চলছে কুমুদিনী হাসপাতালে

মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
রাস্তার পাশে জন্ম নেওয়া ফুটফুটে অসহায় শিশু কন্যার পিতা কে তা বলতে পারছে না শিশুটির মা। অমানবিক এই ঘটনার খবর পেয়ে মির্জাপুর থানা পুলিশ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সহযোগিতায় অবশেষে ফুটফুটে শিশু ও তার মায়ের চিকিৎসা চলছে কুমুদিনী হাসপাতালে। কুমুদিনী হাসপাতাল কতৃপক্ষ, চিকিৎসক ও নার্সরা পরম মমতা দিয়ে অসহায় মা ও তার শিশু কন্যাকে ঔষধপত্রসহ চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। আজ বুধবার (৫ জুলাই) টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলা সদরের কুমুদিনী হাসপাতাল রোডে শিশুটির জন্ম হয়েছে।
আজ বুধবার (৫ জুলাই) সন্ধ্যায় কুমুদিনী হাসপাতালের প্রসুতি বিভাগ এবং শিশু ওয়ার্ডের এনআইসিতে গিয়ে দেখা গেছে মা ও শিশু কন্যার চিকিৎসা চলছে। ওয়ার্ডের নার্স ও চিকিৎসকগন জানান, বেলা সারে এগারটার দিকে পুলিশ এক মহিলাকে অসুস্থ্য অবস্থায় প্রসুতি বিভাগের ২৭ নম্বর বেডে ভর্তি করে দিয়ে গেছেন। মহিলা তার নাম ও ঠিকানা বলতে পারছেন না। কখনো বলছেন নাজমা, কখনো ঝুমুর আবার কখনো বলছেন রিজনী। ঠিকানা বলছেন কখনো ঢাকা আবার কখনো বরিশাল। আর কিছু বলতে পারছে না। পিতা মাতার নাম ও নিজের নামও বলতে পারছে না। লোকজন দেখলে কখনো হাসে, আবার কখনো ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে থাকে। শিশু ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা গেছে নার্সরা পরম মমতা দিয়ে শিশু কন্যাকে এনআইসিতে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। তারা মহিলার পরিচয় এবং শিশুর বাবা কে তা খুঁজে বের করার জন্য প্রশাসেনর নিকট জোর দাবী জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে কুমুদিনী জহাসপাতালে এজিএম (অপারেশন) অনিমেশ ভৌমিক লিটন বলেন, অসহায় এক মহিলা ও তার শিশু কন্যাকে পুলিশ এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে হাসপাতালে ভর্তি করে দিয়েছেন। মহিলার নাম ও কোন ঠিকানা নেই। তিনি কোন নাম ঠিকানা বলতে পারছে না। এমন কি শিশুর পিতা কে তাও বলতে পারছেন না। হাসপাতালের পক্ষ থেকে মা ও শিশুর যাবতীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ঔষধপত্র এবং চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা মো. খাইরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে তিনি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার কুমুদিনী হাসপাতালে গিয়ে মহিলার ঠিকানা এবং শিশুর বাবা কে তা জানার চেষ্টা করেছেন। কিন্ত মহিলা কোন কথা বলতে পারছে না। ঠিকানাও ঠিকমত বলতে পারছেন না। হাসপাতাল কতৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে মা ও শিশুর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিভিন্ন মাধ্যমে তাদের ঠিকানা জানার চেষ্টা চলছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাকিলা বিনতে মতিন বলেন, রাস্তার পাশে এক মহিলা সন্তান জন্ম দিয়েছেন বলে তিনি জানতে পেরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। দুপুরে তিনি কুমুদিনী হাসপাতালে পরিদর্শনে গিয়ে মা ও শিশু কন্যার খোঁজ খবর নিয়েছেন। মহিলার পরিবারের ঠিকানা এবং শিশু কন্যার পিতা কে তা জানতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে। মা ও শিশু কন্যার চিকিৎসার যেন কোন সমস্যা না হয় সে জন্য হাসপাতাল কতৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করা হচ্ছে।

মির্জাপুরে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামুল্যে ডিজিটাল ট্যাব বিতরণ

মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
ডিজিটাল থেকে ২০৪১ সালের মধ্যে স্মাট বাংলাদেশ গড়তে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দুই ধাপে ৪০০শত মেধাবী ও কৃতি শিক্ষার্থীর মাঝে বিনামুল্যে ডিজিটাল ট্যাব বিতরণ করা হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে আজ বুধবার (৫ জুলাই) উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসের উদ্যোগে ১০০শ জন মেধাবী শিক্ষার্থীর হাতে বিনামুল্যে এই ডিজিটার ট্যাব তুলে দেওয়া হয়। এর আগে ভূমি মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য খান আহমেদ শুভ এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে ৩০০শ জন মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামুল্যে এই ডিজিটাল ট্যাব তুলে দেন।
আজ বুধবার (৫ জুলাই) উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জুলফিকার হায়দার বলেন, মির্জাপুর পৌরসভা এবং ১৪ ইউনিয়নের মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা এবং কলেজের মেধাবী ও কৃতি শিক্ষার্থীদের বাছাই করে ডিজিটাল ট্যাব বিতরণ করা হচ্ছে। প্রথম ধাপে ৩০০শ জন এবং আজ বুধবার দ্বিতীয় ধাপে ১০০শ জনসহ মোট ৪০০শ জন মেধাবী ও কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামুল্যে এই ডিজিটাল ট্যাব তুলে দেওয়া হয়। ডিজিটাল ট্যাব বিতনের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মুল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে শিক্ষার্থীরা যাতে পাঠ্য বইয়ের পাশাপাশি ডিজিটাল ও স্মাট বাংলাদেশ গড়তে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল বিষয়ে জ্ঞান লাভ করতে পারে। এরই ধারাবাহিকতায় স্থানীয় সংসদ সদস্য খান আহমেদ শুভ এমপির দিক নির্দেশণায় মেধাবী ও কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামুল্যে ্েই ডিজিটাল ট্যাব বিতরণ করা হচ্ছে। আর বাস্তবায়ন করচেণ উপজেলা পরিসংখ্যান অফিস।
এদিকে আজ বুধবার ডিজিটাল ট্যাব বিতরণ অনুষ্ঠানে পরিসংষ্যান অফিসে উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসার মো. ফরহাদ হোসেন আসাদ, প্রধান শিক্ষক মো. খোরশেদ আলম, মো. মোশারফ হোসেন, মো. আতিকুর রহমান আতিক, মো. আমজাদ হোসেন, মো. আব্দুল হালিমসহ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীগন উপস্থিত ছিলেন।

তরফপুর ইউনিয়ন বিজ্ঞান ক্লাব ও পাঠাগার এর কমিটি গঠন

বারবেলা ডেস্ক

টাঙ্গাইল মির্জাপুর উপজেলার তরফপুর ইউনিয়ন বিজ্ঞান ক্লাব ও পাঠাগারের কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছে। ১ জুলাই শনিবার অনলাইন মিটিং এ সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে ১ম কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে আব্দুল্লাহ রুবেলকে সভাপতি ও মাহবুবুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৮ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।

এই ক্লাবের মূলনীতি হলো; জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হোক গ্রামীণ জনপদ। বই পড়া ও শিক্ষার প্রতি মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করার সর্ব্বোচ্চ চেষ্টা করে যাওয়া। এলাকার কোন শিক্ষার্থী যেন অকালে ঝড়ে না যায়। মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষার দিকে অগ্রসর করা।

সর্বসম্মতিক্রমে কমিটিতে সভাপতি হিসেবে আব্দুল্লাহ রুবেল, সহ সভাপতি কামাল হোসেন ও ইমদাদুল হক লিটন, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মাহবুবুর রহমান, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর মির্জা ও ডি.এম সাদ্দাম হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক ইউনুস আলী, দপ্তর সম্পাদক রাকিবুল হাসান রেফাজ, অর্থ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম সামি, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক হাসানুল হক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক সাজেদুল ইসলাম, পরিকল্পনা ও মানব সম্পদ উন্নয়ন সম্পাদক মাহমুদুল হাসান, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক আব্দুস ছামাদ, প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন, পাঠাগার সম্পাদক জহিরুল ইসলাম সাগর, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক ইমরান হোসেন, ক্রীড়া সম্পাদক মেহরাব হাসান মামুন, প্রচার সম্পাদক শোয়াইব মাহমুদ নির্বাচিত হোন।

তরফপুর ইউনিয়ন বিজ্ঞান ক্লাব ও পাঠাগারের অন্যতম উদ্যোক্তা এবং নব গঠিত কমিটির সাধারন সম্পাদক মাহবুবুর রহমান বলেন,
শিক্ষা একটি জাতির মেরুদন্ড। দেশের অন্যতম উপজেলা মির্জাপুরের একটি অন্যতম ও বিশাল জনগোষ্ঠীর সম্ভাবনাময় পাহাড়ি জনপদ তরফপুর ইউনিয়ন। কিন্তু তরফপুর ইউনিয়ন ভৌগলিকভাবে প্রান্তিক গ্রামীণ জনপদ হওয়ায় এই জনপদে শিক্ষার প্রসার ও উন্নয়ন খুব একটা অগ্রগতি হয় নাই। যার প্রমাণ এই জনপদে নেই উল্লেখযোগ্য তেমন কোনো শিক্ষাবিদ, বিচারপতি, প্রশাসক, জাতীয় পর্যায়ের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, আইনজীবী, শিল্পপতি, নেই দেশ ও আন্তর্জাতিকভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত উদ্যোক্তা।

এছাড়াও রেমিট্যান্স যোদ্ধা প্রবাসীদের দ্রুত আর্থিক সচ্ছলতা অর্জন দেখে অধিকাংশ অভিভাবক ও ছাত্রই বিদেশমূখী হওয়ায় শিক্ষা বিমুখ মনোভাব নিয়ে তৈরি হচ্ছে এক বিশাল প্রজন্ম।

সর্বোপরি এই অঞ্চলে আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে যোগ্যতাসম্পন্ন মেধাবী শিক্ষার্থী তৈরির জন্য নেই মানসম্মত কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

এমতাবস্থায় তরফপুর ইউনিয়নের আগামীর প্রজন্মকে সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়া এবং এলাকার শিক্ষা উন্নয়নে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ‘তরফপুর ইউনিয়ন বিজ্ঞান ক্লাব ও পাঠাগার’। দেশ বিদেশ কর্মরত একঝাঁক মেধাবী, সচেতন স্বপ্নচারী সুপ্রতিষ্ঠিত যুব, তরুণ ব্যক্তিবর্গ এবং দেশ বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত মেধাবী শিক্ষার্থীদের সমন্নয়ে পরিচালিত হচ্ছে ‘তরফপুর ইউনিয়ন বিজ্ঞান ক্লাব ও পাঠাগার’।

বিজ্ঞান ক্লাবটি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে অত্র অঞ্চলে শিক্ষা এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এক উজ্জ্বল সম্ভাবনাময় সুযোগ তৈরি হয়েছে।
অসম্ভবকে সম্ভব করার নিমিত্তে শুন্য হস্তে ব্যক্তিগত কোনো প্রাপ্তির ইচ্ছা ব্যতিরেকে প্রিয় জন্মভূমি তরফপুরকে আলোকিত করার উদ্দেশ্যে শুন্য থেকে কাজ শুরু করেছিলাম। হাটি হাটি পা পা করে আজ তা অযুত সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আর সেই সম্ভাবনাকে বাস্তবায়ন করার জন্য আপনারা আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন তা সবার সহযোগিতায় যথাযথভাবে পালন করতে সাধ্যানুযায়ী সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।

মির্জাপুরে এমপির উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ২৪ লাখ টাকা অনুদানের চেক বিতরণ

মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে খান আহমেদ শুভ এমপির উদ্যোগে প্রধান মন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ২৪ লাখ টাকার অনুদানের চেক পেয়েছেন ৪০ জন অসহায় নারী পুরুষ। এ উপলক্ষে আজ রবিবার (২ জুলাই) প্রেস ক্লাব মিলনায়নে আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ভূমি মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য খান আহেমদ শুভ এমপি। এ সময় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক দুর্রভ বিশ^াস, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আহমেদ বাবর, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি মো. সিরাজ মিয়া, সৈয়দ ওয়াহিদ ইকবাল, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আমিনুর রহমান আকন্দ এবং এমপির একান্ত ব্যক্তিগত সহকারী মীর আসিফ অনিক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা অনুষ্ঠানের পর অসহায়দের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হয়।

মির্জাপুরে রুবেল স্মৃতি প্রিমিয়ারলীগ ফুটবল ফাইনাল ম্যাচে দুরন্ত একাদশ চ্যাম্পিয়ন

মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মরহুম রুবেল স্মৃতি স্মরণে প্রিমিয়ারলীগ ফুটবল ফাইনাল ম্যাচে আগধল্যা দুরন্ত একাদশ ট্রাইবেকারে (৩-১) গোলে আগধল্যা স্টার একাদশকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। আগধল্যা তরুণ ও যুব সমাজ প্রতি বছর মরহুম রুবেল স্মৃতি স্মরণে এ প্রিমিয়ার ফুটবল লীগ খেলার আয়োজক করে থাকেন।
গতকাল শনিবার (১ জুলাই) বিকেলে উৎসব মুখর পরিবেশে মির্জাপুর উপজেলার উপজেলার আগধল্যা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে এ ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বরাটি নরদানা বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালযের প্রধান শিক্ষক মো. জুলহাস উদ্দিন এবং উদ্ধোধক ছিলেন একই বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল।
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক শিক্ষক মো. ছিদ্দিক হোসেনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক মো. ফারুক হোসাইন, মো. শামসুল আরেফিন হাদী, মো. আরিফ হোসেন সুবেদার, ইমরান আহমেদ রজবু এবং ফজলুল হক। ধারা ভাষ্যকার ও সঞ্চালনায় ছিলেন বরাটী নরদানা বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোতালেব হোসেন মিঞা এবং খেলা পরিচালনা করেন রেফারী মো. শামীম মিয়া। খেলা শেষে ম্যান অবদা ম্যাচ, ম্যান অবদালীগ, বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের খেলোয়ারদের হাতে অতিথিবৃন্দ পুরষ্কার তুলে দেন।

এমপি-ইউএনওর নির্দেশে মির্জাপুরে বংশাই নদীর বিভিন্ন স্থাপনা ভাঙ্গন প্রতিরোধে জিও ব্যাগ ফেলা শুরু

মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
স্থানীয় সাংসদ ও ভূমি মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য খান আহমেদ শুভ এমপি এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাকিলা বিনতে মতিনের নির্দেশে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বংশাই নদীর ফতেপুর এলাকায় ভাঙ্গন প্রতিরোধে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু হয়েছে। ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. আব্দুর রউফ মিয়া স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী ও ইউপি সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে গুরুত্বপুর্ন পয়েন্টে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করেছেন বলে জানিয়েছেন। নদীর ব্যাপক ভাঙ্গনে দুইশ বছরের ফতেপুর হাট ও বাজার মারাত্বক ভাবে হুমকির মুখে। ইতিমধ্যে ৫০-৬০ টি দোকান নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে।
এ ব্যাপারে ভূমি মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য খান আহমেদ শুভ এমপি এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাকিলা বিনতে মতিন বলেন, বংশাই নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে ভাঙ্গনের খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সমন্ময় করে ইতিমধ্যে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু হয়েছে। ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় স্থানীয় ভাবে বাঁধ নির্মান এবং ব্লগ ফেলা হবে বলে তারা জানিয়েছেন।
অনুসন্ধা জানা গেছে, নদী ভাঙ্গনে হুমকির মুখে পড়েছে ফতেপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের মসজিদ, মন্দির, হাট-বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাস্তাঘাট এবং ফসলি জমিসহ গাছপালা। ফতেপুর বাজার সংলগ্ন দক্ষিণ পাশের মির্জাপুর-ফতেপুর-কুরনী রাস্তা ভেঙ্গে নদীতে বিলিন হওয়ায় মির্জাপুর উপজেলার সঙ্গে বাসাইল উপজেলার সরাসরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। প্রতিদিন নতুন নতুন এলাকায় ভাঙ্গন দেখা দেওয়ায় আতংকিত এলাকার লোকজন। ক্ষতিগ্রস্থ্য পরিবারগুলো জানিয়েছেন, ফতেপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে কয়েক শতাদিক পরিবার আজ নিঃস্ব হয়ে গেছে। ঘরবাড়ি ও ফসলিজমি হারিয়ে তারা আজ পথে বসেছে। সরকারী ভাবে বড় ধরনের কোন সহায়তা পাননি বলে অভিযোগ করেন। আজ মঙ্গলবার ফতেপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন চিকত্রই দেখা গেছে। ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ মিয়া জানান, বংশাই নদীর ফতেপুর, থলপাড়া, হিলড়া আদাবাড়ি, পারদিঘী, চাকলেশ^র, বৈলানপুর, ভাতগ্রাম ইউনিয়নের গোড়াইল, গাড়াইলসহ ১০-১২ টি গ্রামে ব্যাপক ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ভাঙ্গনের ফলে ফতেপুর বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মির্জাপুর-বাসাইল রাস্তা, ফসলি জমি, ঘরবাড়ি ও রাস্তাঘাট হুমকির মুখে। এই ইউনিয়নে প্রতি বছরই বংশাই নদীতে ভাঙ্গন শুরু হয়। এ বছল ভাঙ্গনের মাত্রা তীব্র আকার ধারন করছে। নদী ভাঙ্গনে ফতেপুর বাজার সংলগ্ন পাকা রাস্তা বিলিন হয়ে মির্জাপুর উপজেলার সঙ্গে বাসাইল উপজেলার সরাসরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। হাট ফতেপুর উচ্চ বিদ্যালয়, মাদ্রাসা, মসজিদ. হাট ফতেপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদ, স্বাস্থ্য উপকেন্দ্র, ইউনিয়ন ভুমি অফিস, মির্জাপুর-বাসাইল রাস্তা, ফতেপুর-মহেড়া-মির্জাপুর রাস্তাসহ একাধিক প্রতিষ্ঠান এবং হাট ফতেপুর হাট ও বাজার এখন হুমকির মুখে। খান আহমেদ শুভ এমপি এবং ইউনিও শাকিলা বিনতে মতিনের নির্দেশে ভাঙ্গন প্রতিরোধে বিভিন্ন পয়েন্টে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শূরু হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
অপর দিকে লৌহজং নদীতে পানি বৃদ্ধির ফলে মাঝালিয়া, গুনটিয়া, চুকুরিয়া, বরাটি, পুষ্টকামুরী, দেওহাটা, কোর্ট বহুরিয়া, বহুরিয়া, কামারপাড়া, নাগরপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় নদী ভাঙ্গনে বহু পরিবার দিশেহারা হয়ে পরেছেন। ক্ষতিগ্রস্থ্য হচ্ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,ব্রিজ, কালভার্ট, রাস্তা-ঘাট, হাট বাজারসহ ফসলি জমি। বংশাই নদীর থলপাড়া ব্রিজ, ত্রিমোহন এলাকায় বীর মুক্তিযোদ্ধা একাব্বর হোসেন ব্রিজ, কোদালিয়া এলাকায় লতিফপুর ব্রিজ, হাটুভাঙ্গা ব্রিজ, লৌহজং নদীর উপর নির্মিত গুনটিয়া ব্রিজ, বরাটি এলাকায় বাবু দুঃখীরাম রাজবংশী ব্রিজ, পুষ্টকামুরী ব্রিজ, পাহাড়পুর ব্রিজ, বহুরিয়া এলাকায় বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম নুরু ব্রিজ এবং ওয়ার্শি ব্রিজ হুমকির মুখে।
এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ড টাঙ্গাইলের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাত হোসেন বলেন, নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধের জন্য জিও ব্যাগ ফেলা শুরু হয়েছে। ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় স্থায়ী বাঁধ নির্মানের জন্য প্রকল্প তৈরী করে মন্ত্রনালয়ে পাঠানো হয়েছে। অর্থ বরাদ্ধ পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মির্জাপুরে অবৈধ ডিস লাইনের তারে ট্রেনের ছাঁদ থেকে পড়ে যুবক নিহত ইউএনওর ঘটনাস্থল পরিদর্শন

মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল
ঢাকা-রাজশাহী-খুলনা রোডে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে রেল লাইনের উপর দিয়ে অবৈধ ডিস লাইনের তারে জড়িয়ে লালমনি এক্্রপ্রেস ট্রেনের ছাঁদ থেকে পড়ে সজিব হোসেন (২২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছে। তার পিতার নাম আব্দুল জলিল মিয়া, গ্রামের বাড়ি নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার ওলাবাজার গ্রামে। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিন যাত্রী। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর খবর পেয়ে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাকিলা বিনতে মতিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অবৈধ ডিস লাইনের তার কেটে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন। এ সময় মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম এবং স্টেশন মাস্টার মো. কামরুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।
মির্জাপুর রেলওয়ে স্টেশনের মাষ্টার মো. কামরুল হাসান জানিয়েছেন, গতকাল সোমবার রাত দশটার দিকে লালমনি এক্্রপ্রেস ট্রেনটি ঢাকা থেকে ছেড়ে আসে। রাত সারে ১২টার দিকে ট্রেনটি মির্জাপুর স্টেশনের পুর্বপাশে এলে ট্রেন লাইনের উপর দিয়ে যাওয়া ডিস লাইনের তারে জড়িয়ে পরে সজিব হোসেন নিচে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। এ সময় আহত হয় রেমন হোসেন সহ আরও তিন যাত্রী। ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।
এ ব্যাপারে রেলওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আলী আকবর সাংবাদিকদের বলেন, লাশ উদ্ধারের পর আইনী প্রক্রিয়া শেষে তার পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করেছেন।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাকিলা বিনতে মতিন বলেন, রেল লাইনের উপর অবৈধ ডেস লাইনের তারে জড়িয়ে যে যুবক নিহত হয়েছেন, এটা অত্যান্ত দুঃখ জনক। ঘটনার পর আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অবৈধ ডিস লাইনের তার কেটে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।